নয়াদিল্লি ও মুম্বই: তৃণমূল সাংসদদের গণ-দলবদল ও মুষলপর্বের মধ্যেই এবার নজরে মহারাষ্ট্র। আরও স্পষ্ট করে বললে, উদ্ধব থ্যাকারের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি)। ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধবের দল! অভিযোগ, ‘অপারেশন টাইগার’ কোডনেমে তাদের সাংসদদের বিপক্ষ শিবিরে (এনডি শরিক তথা মুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধের নেতৃত্বাধীন শিবসেনায়) যোগদানের টোপ দেওয়া হয়েছে। লোকসভায় শিবসেনা (ইউবিটি)-র ৯ সাংসদের মধ্যে অন্তত ৬ জনকে টাগের্ট করা হয়েছে। কত টাকার টোপ দেওয়া হয়েছে? বুধবার দিল্লিতে উদ্ধব ঘনিষ্ঠ রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় রাউতের কটাক্ষ, সাংসদ পিছু ‘ন্যূনতম সহায়ক মূল্য’ (এমএসপি) ধার্য হয়েছে ৫০ কোটি টাকা করে। অগ্রিম দেওয়া হয়েছে ১৫ কোটি। সেই টাকা হাতে পাওয়ার পর ওই সাংসদরা দিল্লিগামী চার্টার্ড বিমানে উঠতে রাজি হন। নান্দেড় ও পুনে সহ মোট তিনটি জায়গা থেকে তিনটি চার্টার্ড বিমান উঠেছে। একইসঙ্গে রাউত বলেন, দলের সব সাংসদই ঐক্যবদ্ধ বলে তাঁর বিশ্বাস। কিন্তু যাঁরা শিবির বদল করতে চান, তাঁরা যেন দল ও সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে দেন। মহারাষ্ট্রের মানুষ ও শিবসৈনিকরা এইসব বিশ্বাসঘাতকদের রেয়াত করবে না। দলের বিদ্রোহীদের ‘বেইমান’ বলে তোপ দেগে এদিন বেশ কিছু আপত্তিকর শব্দের ব্যবহার করেন রাউত। এরপর সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ করেন, বিশ্বাসঘাতকদের সম্পর্কে ব্যবহার করা এই শব্দগুলি দয়া করে আড়াল করবেন না। উদ্ধবের দলে ভাঙন ধরানোর নেপথ্যে কি এবারও সিন্ধে? রাউত বলেন, সিন্ধে এত বড়ো মাপের নেতা নন। এব্যাপারে পরোক্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দিকেই আঙুল তুলেছেন তিনি। মুম্বই কংগ্রেসের সভাপতি বর্ষা গায়কোয়াড় এই দল ভাঙানোর ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা জনাদেশের অপমান। বিরোধী কর্মীদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।



