নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিনদিন মহার্ঘ হচ্ছে মোবাইলের খরচ। যার জেরে পরিষেবা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর— মাত্র এক মাসে দেশজুড়ে টেলিকম সংস্থাগুলির ৩৪ লক্ষ গ্রাহক কমে গিয়েছে। দেশের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ট্রাই-এর রিপোর্টে উঠে এল এমনই চিত্র।
Advertisement
গত জুলাইতে গড়ে ১০ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়িয়েছিল বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা। তার পর থেকে লাগাতার কমতে শুরু করে গ্রাহক সংখ্যা। ট্রাই-এর গত নভেম্বর মাসের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, অয়্যাররেলস সার্ভিস, ব্রডব্যান্ড, মোবাইল ইন্টারনেট মিলিয়ে সেপ্টেম্বরে মোট গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৯৪ কোটি ৪৪ লক্ষ। অক্টোবর মাসের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪ কোটি ১০ লক্ষ। কারণ চড়া মাশুলের চাপ। মাত্র এক মাসের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবার গ্রাহক কমে যাওয়ায় সরকারের অন্দরেও অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থাগুলি দেশের মধ্যে ২৪ শতাংশ পরিষেবা দিয়ে থাকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেসরকারি পরিষেবার গ্রাহক কমলেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে সরকারি পরিষেবা গ্রহণের। অর্থাৎ বিএসএনএল এবং এমটিএনএলের প্রতি। টেলি ডেনসিটি কমে যাওয়ায় মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন সর্বাগ্রে ধাক্কা খাচ্ছে। কোনও একটি এলাকায় বিভিন্ন সংস্থার মোবাইল টাওয়ারের অধীনে মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কমেছে। যা সরাসরি প্রমাণ করছে যে, নিছক একটি সংস্থার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কোনও গ্রাহক অন্য সংস্থায় যুক্ত হয়েছে, এমন নয়। স্থায়ীভাবে সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে এরকম সংখ্যাও প্রচুর। সরকারিভাবে কোনও কারণ দর্শানো না হলেও মনে করা হচ্ছে এর প্রধান কারণ মূল্যবৃদ্ধি। সবথেকে বড় সমস্যা হল, বর্তমানে যে কোনও পরিষেবাই নির্ভরশীল মোবাইল ডেটার উপর। বৃহৎ সংখ্যা ব্যবহারকারী স্মার্ট ফোন থাকলেও ইন্টারনেট সংযোগ আর নিচ্ছে না। অর্থাৎ কোনওমতে ফোনে কথা বলার সংযোগ রেখে দেওয়া হচ্ছে শুধু। কথা ছিল ভারত ক্রমেই ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করবে। দেশে ৭৫টি ডিজিটাল ব্যাঙ্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হয়েছে ভারত সরকার। ইউপিআই পেমেন্টের সংখ্যাবৃদ্ধির উপর জোর দিয়েছে সরকার। প্রতিটি অ্যাকাউন্টকে নেট ব্যাঙ্কিং এবং ইউপিআই ব্যবস্থায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিকে। ফলে মোবাইল তথা ইন্টারনেট সংযোগ বেড়ে যাওয়ার কথা। অথচ কমছে!
রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থাগুলি দেশের মধ্যে ২৪ শতাংশ পরিষেবা দিয়ে থাকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেসরকারি পরিষেবার গ্রাহক কমলেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে সরকারি পরিষেবা গ্রহণের। অর্থাৎ বিএসএনএল এবং এমটিএনএলের প্রতি। টেলি ডেনসিটি কমে যাওয়ায় মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন সর্বাগ্রে ধাক্কা খাচ্ছে। কোনও একটি এলাকায় বিভিন্ন সংস্থার মোবাইল টাওয়ারের অধীনে মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কমেছে। যা সরাসরি প্রমাণ করছে যে, নিছক একটি সংস্থার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কোনও গ্রাহক অন্য সংস্থায় যুক্ত হয়েছে, এমন নয়। স্থায়ীভাবে সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে এরকম সংখ্যাও প্রচুর। সরকারিভাবে কোনও কারণ দর্শানো না হলেও মনে করা হচ্ছে এর প্রধান কারণ মূল্যবৃদ্ধি। সবথেকে বড় সমস্যা হল, বর্তমানে যে কোনও পরিষেবাই নির্ভরশীল মোবাইল ডেটার উপর। বৃহৎ সংখ্যা ব্যবহারকারী স্মার্ট ফোন থাকলেও ইন্টারনেট সংযোগ আর নিচ্ছে না। অর্থাৎ কোনওমতে ফোনে কথা বলার সংযোগ রেখে দেওয়া হচ্ছে শুধু। কথা ছিল ভারত ক্রমেই ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করবে। দেশে ৭৫টি ডিজিটাল ব্যাঙ্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হয়েছে ভারত সরকার। ইউপিআই পেমেন্টের সংখ্যাবৃদ্ধির উপর জোর দিয়েছে সরকার। প্রতিটি অ্যাকাউন্টকে নেট ব্যাঙ্কিং এবং ইউপিআই ব্যবস্থায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিকে। ফলে মোবাইল তথা ইন্টারনেট সংযোগ বেড়ে যাওয়ার কথা। অথচ কমছে!



