সংবাদদাতা, করিমপুর: মুরুটিয়ায় খড়ে নদীর পুরনো দুর্বল সেতু ভেঙে নতুন সেতু তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে পূর্তদপ্তর। ইতিমধ্যে ওই দপ্তরের বাস্তুকার ও আধিকারিকরা সেতু পর্যবেক্ষণ ও জমি সমীক্ষার কাজ শুরু করেছেন। দুর্বল সেতুটি দিয়ে কয়েকবছর ধরে ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে সমস্যা হচ্ছে। তাই সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগে এলাকার বাসিন্দারা খুশি।
Advertisement
নদীয়া ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অভিজিৎ সরকার বলেন, ওই সেতুর ডিপিআর তৈরির কাজ শেষদিকে। পুরনো সেতুটি মাত্র সাড়ে তিন মিটার চওড়া। সেটি ভেঙে ১২মিটার চওড়া ও প্রায় ৮০মিটার লম্বা নতুন সেতু হবে। তবে সেতু তৈরি করতে সরকারি জমি ছাড়াও ব্যক্তিগত জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। জমি মালিকরা স্বেচ্ছায় জমিদান করলে কাজ সহজ হবে। তাঁরা যদি ক্ষতিপূরণ চান, তাহলে সেই টাকা দিয়ে, আইনি কাজ শেষ করে সেতু তৈরি শুরু হবে।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী মুরুটিয়ার খড়ে নদীর উপর এই সেতুটি তৈরি করেছিল। তারপর থেকে এলাকার মানুষ যাতায়াতের জন্য এই সেতুর উপর নির্ভর করতেন। কিন্তু সেতুটির অবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়ায় ভারী যান চলাচল আটকাতে সেতুর দু’প্রান্তে লোহার হাইট বার লাগানো হয়। এর ফলে তিনবছর ধরে মুরুটিয়া ও দীঘলকান্দি পঞ্চায়েতের কয়েকহাজার মানুষের সমস্যা হচ্ছে।
মুরুটিয়া বাজারের এক সার ব্যবসায়ী বলেন, আমার দোকানে রোজ একটি করে সারবোঝাই ট্রাক আসে। কিন্তু এই সেতু দিয়ে ট্রাক যেতে পারে না। বাজিতপুর, বালিয়াডাঙা হয়ে ঘুরপথে আসতে হয়। এর ফলে রোজ ট্রাকের ভাড়া বাবদ ৪৫০টাকা বেশি দিতে হয়। আশা করছি, এবার তাড়াতাড়ি নতুন সেতু হবে।
করিমপুর-২ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি কার্তিক মণ্ডল বলেন, আগে মুরুটিয়া থেকে বিভিন্ন রুটে বেশ কয়েকটি বাস চলত। সেতু দিয়ে যাওয়া যায় না বলে সেগুলিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এলাকার চাষিদের জমির ধান, পাট বা সব্জি ঘুরপথে মহিষবাথান বাজারে নিয়ে যেতে হয়। আমরা বারবার নতুন সেতু তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম।
করিমপুরের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায় বলেন, কয়েকবছর আগে কলকাতায় একটি সেতু ভেঙে পড়েছিল। তখন আমি রাজ্যের দুর্বল সেতুর তালিকায় এই সেতুর নাম দেওয়ায় রাজ্য সরকার পূর্তদপ্তরের হাতে সেতুটির দায়িত্ব তুলে দেয়। এরপর আমি পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়কে নতুন সেতু তৈরির জন্য পদক্ষেপ করতে বলেছিলাম। এরপরই পূর্তদপ্তরের তরফে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। দুর্বল সেতু ভেঙে নতুন সেতু তৈরি হবে। এতে এলাকার কয়েকহাজার মানুষ উপকৃত হবেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী মুরুটিয়ার খড়ে নদীর উপর এই সেতুটি তৈরি করেছিল। তারপর থেকে এলাকার মানুষ যাতায়াতের জন্য এই সেতুর উপর নির্ভর করতেন। কিন্তু সেতুটির অবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়ায় ভারী যান চলাচল আটকাতে সেতুর দু’প্রান্তে লোহার হাইট বার লাগানো হয়। এর ফলে তিনবছর ধরে মুরুটিয়া ও দীঘলকান্দি পঞ্চায়েতের কয়েকহাজার মানুষের সমস্যা হচ্ছে।
মুরুটিয়া বাজারের এক সার ব্যবসায়ী বলেন, আমার দোকানে রোজ একটি করে সারবোঝাই ট্রাক আসে। কিন্তু এই সেতু দিয়ে ট্রাক যেতে পারে না। বাজিতপুর, বালিয়াডাঙা হয়ে ঘুরপথে আসতে হয়। এর ফলে রোজ ট্রাকের ভাড়া বাবদ ৪৫০টাকা বেশি দিতে হয়। আশা করছি, এবার তাড়াতাড়ি নতুন সেতু হবে।
করিমপুর-২ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি কার্তিক মণ্ডল বলেন, আগে মুরুটিয়া থেকে বিভিন্ন রুটে বেশ কয়েকটি বাস চলত। সেতু দিয়ে যাওয়া যায় না বলে সেগুলিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এলাকার চাষিদের জমির ধান, পাট বা সব্জি ঘুরপথে মহিষবাথান বাজারে নিয়ে যেতে হয়। আমরা বারবার নতুন সেতু তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম।
করিমপুরের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায় বলেন, কয়েকবছর আগে কলকাতায় একটি সেতু ভেঙে পড়েছিল। তখন আমি রাজ্যের দুর্বল সেতুর তালিকায় এই সেতুর নাম দেওয়ায় রাজ্য সরকার পূর্তদপ্তরের হাতে সেতুটির দায়িত্ব তুলে দেয়। এরপর আমি পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়কে নতুন সেতু তৈরির জন্য পদক্ষেপ করতে বলেছিলাম। এরপরই পূর্তদপ্তরের তরফে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। দুর্বল সেতু ভেঙে নতুন সেতু তৈরি হবে। এতে এলাকার কয়েকহাজার মানুষ উপকৃত হবেন।



