সংবাদদাতা, লালবাগ: তৈরি হয়ে পড়ে থাকা গুডস ইয়ার্ড চালু করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশন পরিদর্শনে আসেন পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিসিএম (ডিভিশনাল কর্মাশিয়াল ম্যানেজার) শশীরঞ্জন সিং সহ রেলের এক ঝাঁক আধিকারিক। পরিদর্শন শেষে রেলের আধিকারিকরা মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ এবং বণিক সমাজের সঙ্গে বিজনেস ডেভলপমেন্ট মিটিং করেন। গুডস ইয়ার্ড চালু সহ ব্যবসায়িক উন্নতি নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনা চলে। ডিসিএম শশীরঞ্জন সিং বলেন, গুডস ইয়ার্ড চালু হলে এখানকার ব্যবসায়ীরা অনেক কম খরচে মাল আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবেন। ফলে বাণিজ্যে গতি আসবে। প্রায় এক বছরের ধরে গুডস ইয়ার্ড তৈরি হয়ে পড়ে থাকলেও এখনও পর্যন্ত পণ্য ওঠানামা শুরু হয়নি। এদিন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হল। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আশা করছি, খুব শীঘ্রই মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশন থেকে পণ্য ওঠানামা শুরু হবে। তবে এদিন আলোচনা চলাকালীন ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশনে মাল ওঠানামার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। রেলের পক্ষ থেকে সেগুলি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলপথে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির জন্য প্রায় এক বছর আগে মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশনে গুডস ইয়ার্ড তৈরি হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মালগাড়ি যাওয়া আসা শুরু হয়নি। আর এই নিয়েই রেলের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কী কারণে এখনও মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশনে গুডস ইয়ার্ড চালু করা যায়নি সেই বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে ডিসিএম সহ রেলের আধিকারিকরা এসেছিলেন। মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, গুডস ইয়ার্ড চালু হলে নবাবের শহরের পাশাপাশি পাশ্ববর্তী ভগবানগোলা, লালগোলা, ডোমকল এলাকার ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি স্থানীয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গুডস ইয়ার্ড চালু সংক্রান্ত আলোচনার জন্য গত বছর ১২ ডিসেম্বর সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার পবন কুমার সহ রেলের একধিক আধিকারিক এসেছিলেন।



