সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রাতভর নিখোঁজ থাকার পর ধান জমি থেকে এক যুবকের অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। পরিবারের দাবি, ওই যুবককে খুন করা হয়েছে। যদিও পুলিস জানিয়েছে, তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। দেহটি ময়না তদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।
Advertisement
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় দিনমজুর মৃত ওই যুবকের নাম মিঠুন রাজবংশী(৪০)। তাঁর বাড়ি মুরারই থানার বান্ধাইপুর গ্রামে। শনিবার রাত ৮টার সময় একটি ফোন পেয়ে ওই যুবক বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। অনেক রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। কারণ ওই যুবক মদ্যপান করতেন। তাই তাঁর খোঁজে প্রথমে লাগোয়া কলিতোড়া গ্রামের ডাঙাপাড়ায় এক মদ বিক্রেতার বাড়িতে যান পরিবারের লোকজন। কিন্তু, সেখানে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
অবশেষে এদিন বান্ধাইগ্রামে ধান জমিতে অর্ধনগ্ন ও উবুর হয়ে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ওই যুবকের পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসীরা। মৃত যুবকের খুড়তুতো ভাই রমেন রাজবংশী বলেন, মিঠুনের পরনের লুঙ্গি, জ্যাকেট ও মোবাইল ফোন বন্ধ অবস্থায় জমির আলে পড়েছিল। তার কয়েকহাত দূরে জমির মধ্যে অর্ধনগ্ন অবস্থায় মুখ গুজে দেহ পড়েছিল। আমাদের সন্দেহ ওকে কেউ মেরে ফেলেছে।
মৃতের স্ত্রী রূপসী রাজবংশী বলেন, শনিবার জমিতে ধান রোয়া হচ্ছিল। বিকেলে শ্রমিকদের সঙ্গে স্বামী মদ খায়। এরপর বাড়িতে চলে আসে। রাত ৮টা নাগাদ একজনের ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর আর ফেরেনি। তিনি বলেন, যদি নেশা করে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হবে তাহলে লুঙ্গি, জ্যাকেট কেন অন্য জায়গায় পড়ে রয়েছে। তাঁরও দাবি, কেউ তাঁর স্বামীকে খুন করেছে। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। তারা মৃত যুবকের মোবাইলটি বাজেয়াপ্ত করে। যদিও এদিন বিকেল পর্যন্ত পরিবারের তরফে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
অবশেষে এদিন বান্ধাইগ্রামে ধান জমিতে অর্ধনগ্ন ও উবুর হয়ে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ওই যুবকের পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসীরা। মৃত যুবকের খুড়তুতো ভাই রমেন রাজবংশী বলেন, মিঠুনের পরনের লুঙ্গি, জ্যাকেট ও মোবাইল ফোন বন্ধ অবস্থায় জমির আলে পড়েছিল। তার কয়েকহাত দূরে জমির মধ্যে অর্ধনগ্ন অবস্থায় মুখ গুজে দেহ পড়েছিল। আমাদের সন্দেহ ওকে কেউ মেরে ফেলেছে।
মৃতের স্ত্রী রূপসী রাজবংশী বলেন, শনিবার জমিতে ধান রোয়া হচ্ছিল। বিকেলে শ্রমিকদের সঙ্গে স্বামী মদ খায়। এরপর বাড়িতে চলে আসে। রাত ৮টা নাগাদ একজনের ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর আর ফেরেনি। তিনি বলেন, যদি নেশা করে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হবে তাহলে লুঙ্গি, জ্যাকেট কেন অন্য জায়গায় পড়ে রয়েছে। তাঁরও দাবি, কেউ তাঁর স্বামীকে খুন করেছে। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। তারা মৃত যুবকের মোবাইলটি বাজেয়াপ্ত করে। যদিও এদিন বিকেল পর্যন্ত পরিবারের তরফে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।



