নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ফের চর্চায় ‘পেগাসাস।’ ইজরায়েলের এনএসও কোম্পানির স্পাইওয়্যার। চরবৃত্তিই যার লক্ষ্য। শুক্রবার মার্কিন আদালত এনএসও’কে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেই সমালোচনার ঢেউ আছড়ে পড়ল ভারতে। অভিযোগের আঙুল উঠল মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। সরকার তো বটেই, সুপ্রিম কোর্টকেও পরোক্ষে চাপ দিল কংগ্রেস। কেন বিরোধীদের মোবাইলে আড়ি? নজরদারির শিকার কারা? এই প্রশ্নবাণে মোদি সরকারকে কোণঠাসা করল কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস সহ এককাট্টা বিরোধীরা। যা নিয়ে অস্বস্তিতে কেন্দ্র।
Advertisement
হোয়াটস অ্যাপের মূল সংস্থা ‘মেটা ডেটা’ বনাম পেগাসাস তৈরির কোম্পানি ‘এনএসও গ্রুপ’-এর (নিভ সালেভ ওমরি) মামলায় আমেরিকার এক আদালত এদিন চাঞ্চল্যকর নির্দেশ দিয়েছে। আড়িপাতার জন্য প্রবল সমালোচনা করে বলা হয়েছে, ‘কম্পিউটার ফ্রড অ্যান্ড অ্যাবিউস’ এবং ‘ক্যালিফোর্নিয়া কম্পিউটার ডেটা অ্যাসেস অ্যান্ড ফ্রড’— আমেরিকার এই দু’টি আইন লঙ্ঘন করেছে এনএসও। বিশ্বের যে ১,৪০০ জনের মোবাইলে চরবৃত্তি করতে সফটওয়্যার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে রয়েছেন ভারতের ৩০০ জন। এরপরই নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ধামাচাপা পড়া পেগাসাস ইস্যু।
রাহুল গান্ধী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রশান্ত কিশোর, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের মোবাইলে পেগাসাসের মাধ্যমে আড়িপাতা হয়েছে বলে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরগরম হয়েছিল জাতীয় রাজনীতি। ২০২১ সাল। প্রতিবাদে উত্তাল হয় সড়ক থেকে সংসদ। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। গড়া হয়েছিল বিশেষ কমিটি। কিন্তু শেষমেশ তেমন কিছু হয়নি। ২৯টি মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে ‘পেগাসাস’ স্পাইওয়্যার পাওয়া যায়নি। তবে পাঁচটি ফোনে ম্যালওয়ার মিলেছিল। ফলে একপ্রকার ‘ক্লিনচিট’ পেয়ে গিয়েছিল মোদি সরকার। ধামাচাপা পড়েছিল পেগাসাস ইস্যু।
কিন্তু এদিন মার্কিন কোর্টের রায়ে ফের ছাইয়ের নীচে আগুন খুঁজে পেয়েছে কংগ্রেস সহ বিরোধীরা। সবপক্ষকে চাপে ফেলে আদতে নরেন্দ্র মোদিকেই চক্রব্যূহে ঘিরতে চাইছে তারা। সুরজেওয়ালার সওয়াল, ‘এখন প্রমাণিত যে ৩০০ ভারতীয়র হোয়াটস অ্যাপে পেগাসাস নজরদারি করেছে। এবার সরকার বলুক, কোন রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, মন্ত্রী, সাংবিধানিক পদাধিকারী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে? সরকার ওই স্পাইওয়্যার কী কাজে লাগিয়েছে? কী অপব্যবহার করা হয়েছে?’ একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টেরও নজর কাড়তে চেয়েছেন সুরজেওয়ালা। বলেছেন, ‘মার্কিন আদালতের রায় কি সুপ্রিম কোর্ট এবার ভেবে দেখবে? পেগাসাস ইস্যুতে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে তৈরি টেকনিক্যাল এক্সপার্ট কমিটির রিপোর্ট কি প্রকাশ করা হবে? সুপ্রিম কোর্ট কি মেটা ডেটার কাছ থেকে ৩০০ ভারতীয় নামের তালিকা চাইবে?’ আওয়াজ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। দলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘আজ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। আসলে বিজেপি মানুষের রায়ে ভোটে জিততে পারবে না বুঝেই নানা রকম কারসাজি করছে। বিজেপি টার্গেট হল বিরোধী দলের নেতারা।’
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রবিবার সাতসকালে সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’ হ্যান্ডলে সুরজেওয়ালার প্রশ্নবাণের ১২ ঘণ্টা পরেও সরকার টুঁ শব্দ করেনি। নীরবতা কি সম্মতিরই লক্ষণ?
রাহুল গান্ধী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রশান্ত কিশোর, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের মোবাইলে পেগাসাসের মাধ্যমে আড়িপাতা হয়েছে বলে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরগরম হয়েছিল জাতীয় রাজনীতি। ২০২১ সাল। প্রতিবাদে উত্তাল হয় সড়ক থেকে সংসদ। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। গড়া হয়েছিল বিশেষ কমিটি। কিন্তু শেষমেশ তেমন কিছু হয়নি। ২৯টি মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে ‘পেগাসাস’ স্পাইওয়্যার পাওয়া যায়নি। তবে পাঁচটি ফোনে ম্যালওয়ার মিলেছিল। ফলে একপ্রকার ‘ক্লিনচিট’ পেয়ে গিয়েছিল মোদি সরকার। ধামাচাপা পড়েছিল পেগাসাস ইস্যু।
কিন্তু এদিন মার্কিন কোর্টের রায়ে ফের ছাইয়ের নীচে আগুন খুঁজে পেয়েছে কংগ্রেস সহ বিরোধীরা। সবপক্ষকে চাপে ফেলে আদতে নরেন্দ্র মোদিকেই চক্রব্যূহে ঘিরতে চাইছে তারা। সুরজেওয়ালার সওয়াল, ‘এখন প্রমাণিত যে ৩০০ ভারতীয়র হোয়াটস অ্যাপে পেগাসাস নজরদারি করেছে। এবার সরকার বলুক, কোন রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, মন্ত্রী, সাংবিধানিক পদাধিকারী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে? সরকার ওই স্পাইওয়্যার কী কাজে লাগিয়েছে? কী অপব্যবহার করা হয়েছে?’ একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টেরও নজর কাড়তে চেয়েছেন সুরজেওয়ালা। বলেছেন, ‘মার্কিন আদালতের রায় কি সুপ্রিম কোর্ট এবার ভেবে দেখবে? পেগাসাস ইস্যুতে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে তৈরি টেকনিক্যাল এক্সপার্ট কমিটির রিপোর্ট কি প্রকাশ করা হবে? সুপ্রিম কোর্ট কি মেটা ডেটার কাছ থেকে ৩০০ ভারতীয় নামের তালিকা চাইবে?’ আওয়াজ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। দলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘আজ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। আসলে বিজেপি মানুষের রায়ে ভোটে জিততে পারবে না বুঝেই নানা রকম কারসাজি করছে। বিজেপি টার্গেট হল বিরোধী দলের নেতারা।’
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রবিবার সাতসকালে সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’ হ্যান্ডলে সুরজেওয়ালার প্রশ্নবাণের ১২ ঘণ্টা পরেও সরকার টুঁ শব্দ করেনি। নীরবতা কি সম্মতিরই লক্ষণ?



