নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: মজবুত সংগঠনের নিরিখে রাজ্যে বিরোধীদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। তবু আগামী বছর বিধানসভা ভোটের আগে সেই সংগঠনে মরচে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিতে চায় না ঘাসফুল শিবির। তাই ২০২৬-এর মহাযুদ্ধে নামার একবছর আগে থেকেই তারা সংগঠন চাঙ্গা করতে ময়দানে নামছে। এজন্য রানাঘাট ও কল্যাণী মহকুমায় মার্চ মাস থেকেই বিশেষ কর্মসূচি শুরু হবে।
Advertisement
তৃণমূল জানিয়েছে, এখন থেকে শাসকদলের জেলাস্তরের নেতারা সাংগঠনিক শক্তি পরখ করতে প্রতিটি অঞ্চলে পৌঁছে যাবেন। নিচুতলার কর্মীদের দলের প্রতি আনুগত্য বাড়াতে তাঁদের বাড়িতে নিয়মিত রাত্রিযাপন করবেন তাঁরা। নদীয়ার দক্ষিণাংশে রানাঘাট সাংগঠনিক জেলায় এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কল্যাণী ও রানাঘাট মহকুমা ঘাসফুলের এই সাংগঠনিক জেলার আওতায় পড়ে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আমরা সমস্ত বিধানসভায় জেতার জন্যই ঝাঁপাব। সেইমতো জেলাস্তরের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নেতার জন্য আলাদা করে ‘মার্কশিট’ তৈরি করা হবে। যাঁর যে এলাকায় দায়িত্ব পড়বে, সেখানে দলকে ভালো ফলাফল এনে দিলে দল তাঁকে যোগ্য সম্মান দেবে। নেতা সাজলে চলবে না। জনগণের মাঝে নেতা হয়ে উঠতে হবে।
নদীয়ার দক্ষিণাংশ এমনিতেই বিজেপির বেশ শক্ত জমি। রানাঘাটে বিজেপির সাংসদ রয়েছে। ২০২১ সালে চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা, রানাঘাট দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব-এই সমস্ত বিধানসভায় বিজেপি জয়ী হয়। যদিও পরে শান্তিপুর ও রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়। বিজেপির এই শক্ত ঘাঁটিকেই এবার জোরালো ধাক্কা দিতে চাইছে তৃণমূল। তাই ঘাসফুল শিবিরের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভার উপর আলাদাভাবে নজর দেওয়া হবে। ৮৭টি অঞ্চল ও একগুচ্ছ পুর এলাকায় নির্দিষ্ট রুটিন মেনে সংগঠন সংশোধন করা হবে।
মার্চ থেকে বুথভিত্তিক কর্মী সম্মেলন করে সংগঠনের হালহকিকত পর্যালোচনা চলবে। জেলার নেতাদের রোজ দু’টি করে বুথে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় স্তরে প্রতি পঞ্চায়েতে একটি এবং পুর এলাকার চার-পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে একটি করে কর্মী সম্মেলন হবে। কীভাবে ভোটে জেতা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে নিচুতলার কর্মীদের ‘ট্রেনিং’ দেবেন জেলার নেতারা। কর্মীদের বাড়িতে রাত্রিযাপনও করবেন। বিধায়ক থেকে পঞ্চায়েত সদস্য অবধি জনপ্রতিনিধিদের আলাদা করে জনসংযোগ করতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিমাসে ১৫০-এর বেশি পরিবারে তাঁদের পৌঁছতেই হবে। কোথায় কী শক্তি ও দুর্বলতা রয়েছে-তার রিপোর্ট জেলা কমিটিকে পাঠাতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হবে।
তৃণমূলের একাংশ জানিয়েছে, গত বিধানসভা নির্বাচনে একের পর এক বিধানসভায় শাসকদলের মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ গোষ্ঠীকোন্দল। রানাঘাট উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম, শান্তিপুর, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহের মতো একাধিক বিধানসভা একারণেই হাতছাড়া হয়েছে। তাই সংগঠন শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভালো প্রার্থী নির্বাচনও করতে হবে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আমরা সমস্ত বিধানসভায় জেতার জন্যই ঝাঁপাব। সেইমতো জেলাস্তরের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নেতার জন্য আলাদা করে ‘মার্কশিট’ তৈরি করা হবে। যাঁর যে এলাকায় দায়িত্ব পড়বে, সেখানে দলকে ভালো ফলাফল এনে দিলে দল তাঁকে যোগ্য সম্মান দেবে। নেতা সাজলে চলবে না। জনগণের মাঝে নেতা হয়ে উঠতে হবে।
নদীয়ার দক্ষিণাংশ এমনিতেই বিজেপির বেশ শক্ত জমি। রানাঘাটে বিজেপির সাংসদ রয়েছে। ২০২১ সালে চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা, রানাঘাট দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব-এই সমস্ত বিধানসভায় বিজেপি জয়ী হয়। যদিও পরে শান্তিপুর ও রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়। বিজেপির এই শক্ত ঘাঁটিকেই এবার জোরালো ধাক্কা দিতে চাইছে তৃণমূল। তাই ঘাসফুল শিবিরের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভার উপর আলাদাভাবে নজর দেওয়া হবে। ৮৭টি অঞ্চল ও একগুচ্ছ পুর এলাকায় নির্দিষ্ট রুটিন মেনে সংগঠন সংশোধন করা হবে।
মার্চ থেকে বুথভিত্তিক কর্মী সম্মেলন করে সংগঠনের হালহকিকত পর্যালোচনা চলবে। জেলার নেতাদের রোজ দু’টি করে বুথে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় স্তরে প্রতি পঞ্চায়েতে একটি এবং পুর এলাকার চার-পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে একটি করে কর্মী সম্মেলন হবে। কীভাবে ভোটে জেতা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে নিচুতলার কর্মীদের ‘ট্রেনিং’ দেবেন জেলার নেতারা। কর্মীদের বাড়িতে রাত্রিযাপনও করবেন। বিধায়ক থেকে পঞ্চায়েত সদস্য অবধি জনপ্রতিনিধিদের আলাদা করে জনসংযোগ করতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিমাসে ১৫০-এর বেশি পরিবারে তাঁদের পৌঁছতেই হবে। কোথায় কী শক্তি ও দুর্বলতা রয়েছে-তার রিপোর্ট জেলা কমিটিকে পাঠাতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হবে।
তৃণমূলের একাংশ জানিয়েছে, গত বিধানসভা নির্বাচনে একের পর এক বিধানসভায় শাসকদলের মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ গোষ্ঠীকোন্দল। রানাঘাট উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম, শান্তিপুর, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহের মতো একাধিক বিধানসভা একারণেই হাতছাড়া হয়েছে। তাই সংগঠন শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভালো প্রার্থী নির্বাচনও করতে হবে।



