Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন পেলেন সাংসদ মালা রায় ও তাঁর ছেলে

অস্ত্র মামলায় আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূলের সাংসদ মালা রায় ও তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়। ভোটের ফল বেরনোর পর বিজেপির এক কর্মী অভিযোগ করেন, তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে মালা রায়ের অনুগামীরা।

অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন পেলেন সাংসদ মালা রায় ও তাঁর ছেলে
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অস্ত্র মামলায় আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূলের সাংসদ মালা রায় ও তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়। ভোটের ফল বেরনোর পর বিজেপির এক কর্মী অভিযোগ করেন, তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে মালা রায়ের অনুগামীরা। তার ভিত্তিতে মালা রায়, নির্বাণ রায় সহ একাধিক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়। সেই মামলাতেই বুধবার আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন সাংসদ ও তাঁর ছেলে। শুনানি শেষে এক হাজার টাকার বন্ডে দু’জনকেই জামিন দেয় আদালত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৪ মে সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মী রাজেশ পাশোয়ান অভিযোগ করেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর মালা রায়ের নেতৃত্বে প্রায় ২৫ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়। তাদের হাতে ছিল বাঁশ, লোহার রড, লাঠি সহ বিভিন্ন সামগ্রী। আচমকাই তারা বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয়। আক্রান্ত হন রাজেশ। এই সময় রানা মান্না নামে একজন আগ্নেয়াস্ত্র বার করে ভয় দেখাতে শুরু করে। চড়াও হয় বিজেপি কর্মীদের উপর। রাজেশের পরিবারের উপরও একই ঘটনা ঘটে। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে এলাকায় ভয় দেখাতে শুরু করে রানা। রাজেশের অভিযোগ, তাঁর বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানি করে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এরপরই তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে মালা রায় সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়। এই মামলায় জামিন নিতে এদিন দুপুরে আলিপুরে সিজেএম আদালতে হাজির হন সপুত্র সাংসদ। মালা রায়ের আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার মক্কেল একজন সাংসদ। তিনি এই ঘটনা ঘটাতেই পারেন না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই মামলা হয়েছে।’ রাতে সমাজমাধ্যমে মালা রায় লেখেন, ‘আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। সব অভিযোগের আইনি মোকাবিলা করা হবে।’

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ