Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ায় ‘পিএম অজয়’ প্রকল্পে ৮০০-র বেশি ‘মডেল ভিলেজ’

রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা হতেই একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের দরজা বাংলার জন্য খুলে যাচ্ছে।

বাঁকুড়ায় ‘পিএম অজয়’ প্রকল্পে ৮০০-র বেশি ‘মডেল ভিলেজ’
  • ২২ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়, বাঁকুড়া: রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা হতেই একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের দরজা বাংলার জন্য খুলে যাচ্ছে। এবার ‘পিএম অজয়’ প্রকল্পে রাজ্যের তফসিলি জাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলির উন্নয়ন হবে। দু’দিন আগে এব্যাপারে জেলাশাসকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকারিকরা ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। শীঘ্রই বাংলার জন্য বরাদ্দ পাঠানো হবে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। 

Advertisement

বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত বলেন, পিএম অজয় প্রকল্পের আওতায় জেলায় ৮০০-এর কিছু বেশি গ্রামকে ‘মডেল ভিলেজ’ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। 
উল্লেখ্য, তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ভুক্তদের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পিএম অজয় বা ‘প্রধানমন্ত্রী অনুসূচিত জাতি অভ্যুদয় যোজনা’ চালু করেছে। এতদিন ধরে এরাজ্যে ওই প্রকল্পের আওতায় বাসিন্দারা সেভাবে সুবিধা পেতেন না। অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মতো পিএম অজয় নিয়েও তৃণমূল ও বিজেপি-র টানাপোড়েন চলছিল। এখানে ওই প্রকল্প চালুর সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি বলে বিজেপি-র অভিযোগ। পিছিয়ে পড়া জনজাতির জন্য তৃণমূল সরকার যথেষ্ট উন্নয়ন করেছে বলে ঘাসফুল শিবিরের দাবি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আদর্শ গ্রাম বা মডেল ভিলেজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় ২০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করবে। পাঁচ বছর ধরে দফায় দফায় টাকা দেওয়া হবে। ওই টাকায় তফসিলি জাতি অধ্যুষিত গ্রামের নিকাশি নালা, শৌচালয়, পানীয় জল সহ অন্যান্য খাতে কাজ হবে। রাস্তাঘাট নির্মাণের মতো পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজও হতে পারে। এব্যাপারে অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দিষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। সেইমতো কাজ হবে বলে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, তফসিলি জাতি অধ্যুষিত গ্রামের তালিকা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেই ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে ২০১১ সালে রাজ্যে শেষবার জনগণনা হয়েছে। ফলে সঠিক তথ্য পেতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। কোন গ্রামে কত সংখ্যায় তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষ রয়েছে, তার সঠিক হিসাব জনগণনা হলে পাওয়া যেত। ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যেও সংশয় রয়েছে। তবে ১৫ বছর আগের জনসংখ্যার হিসাব ধরে অর্থ বরাদ্দ হলেও উন্নয়ন যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছয় তা আমরা ব্লক প্রশাসন ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহায্যে নিশ্চিত করব।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ