Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৩ হাজার খেত মজুরের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা, বাকি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ধাপে ধাপে

কৃষকবন্ধু, শস্যবিমার মতো প্রকল্প এনে রাজ্য সরকার আগেই চাষিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। মাঠের ফসল দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষিদের এখন আর পথে বসতে হয় না

৩ হাজার খেত মজুরের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা, বাকি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ধাপে ধাপে
  • ১০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কৃষকবন্ধু, শস্যবিমার মতো প্রকল্প এনে রাজ্য সরকার আগেই চাষিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। মাঠের ফসল দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষিদের এখন আর পথে বসতে হয় না। তাঁরা বিমার টাকা পান। কৃষকবন্ধু প্রকল্প থেকে দুই মরশুমে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকে। এবার খেতমজুরদেরও পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। দুই কিস্তিতে তাঁদের মোট চার হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার থেকেই খেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তিন হাজার ২৯জনের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকেছে। ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ খেতমজুরের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। 

Advertisement

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মেহেবুব মণ্ডল বলেন, পাঁচ লক্ষ ৭৯হাজার ১৯৫জন এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তথ্য যাচাই করে খেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা প্রকৃত খেতমজুর তাঁরা সকলেই ধাপে ধাপে টাকা পাবেন। 
গলসির খেতমজুর প্রণব পাত্র বলেন, এই প্রকল্প চালু করে রাজ্য সরকার আমাদের সম্মানিত করেছে। অন্যের জমিতে কাজ করার পর দিনের শেষে পারিশ্রমিক পাই। কোনওদিন কাজে যেতে না পারলে টাকা পাওয়া যায় না। এই চার হাজার টাকা অনেক কাজে লাগবে। অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। আশা করছি] কয়েকদিনের মধ্যে আমার অ্যাকাউন্টেও টাকা ঢুকবে। আর এক খেতমজুর বলেন, আমাদের মতো গরিবের জন্য বছরে চার হাজার টাকা কম কিছু নয়। এই টাকা জমিয়ে বাড়ির কাজে লাগানো যাবে। তাছাড়া কেউ জমি লিজ নিয়ে চাষ করতে চাইলে তাঁদের পক্ষেও সুবিধা হবে। 
কৃষিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত এক বছরে বহু পরিবারকে চাষযোগ্য পাট্টার জমি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ওই জমিতে চাষ করতে পারছেন। আগামী দিনেও আরও কয়েকশো কৃষককে পাট্টা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কৃষকবন্ধু বা শস্যবিমা প্রকল্প চাষিদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। প্রায় প্রতি বছর বৃষ্টি বা অন্য কোনও কারণে ধান, আলুর জমি নষ্ট হয়ে যায়। বিমা থাকায় চাষিরা ক্ষতিপূরণ পেয়ে যায়। গতবছরও পূর্ব বর্ধমানের আলু চাষিরা বিমার টাকা পেয়েছিলেন। 
পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি বলেন, রাজ্য সরকার সর্বদা চাষিদের পাশে থাকে। চাষের সুবিধার জন্য ভর্তুকিতে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ দেওয়া হয়। খেতমজুরদেরও এবার সরকার আর্থিক সহায়তা করছে। অনেকেই আবেদন করার পর টাকা পেয়ে গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন সেটাই করেন। তা আবার প্রমাণিত হয়েছে। খেতমজুরদের পাশাপাশি যুবক যুবতীরাও অ্যাকাউন্টে টাকা পেতে শুরু করেছেন। এই প্রকল্পেও আবেদনকারীরা ধাপে ধাপে টাকা পাবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ