Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

প্রথম ম্যাচেই পুলিস এসি’র কাছে হার মোহন বাগানের

মরশুমের প্রথম ম্যাচেই ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি উঠল মোহন বাগান গ্যালারিতে। নৈহাটিতে ম্যাচ শেষে সমর্থকদের ক্ষোভের মধ্যে দিয়ে ড্রেসিং-রুমে ফিরলেন ফুটবলাররা। সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙা স্বাভাবিক।

প্রথম ম্যাচেই পুলিস এসি’র কাছে হার মোহন বাগানের
  • ১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়  নৈহাটি

Advertisement


মোহন বাগান- ০   :   পুলিস এসি-১
    (আমিল)


মরশুমের প্রথম ম্যাচেই ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি উঠল মোহন বাগান গ্যালারিতে। নৈহাটিতে ম্যাচ শেষে সমর্থকদের ক্ষোভের মধ্যে দিয়ে ড্রেসিং-রুমে ফিরলেন ফুটবলাররা। সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙা স্বাভাবিক। গর্বের সবুজ-মেরুন জার্সি পরে কারা খেলছেন? টানা তিনটি পাস খেলার ক্ষমতা নেই। এভাবে চললে আরও দুর্দশা অপেক্ষা করছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে মোহন বাগান কোচ ডেগি কার্ডোজো জানিয়েছিলেন, তাঁর দল তৈরি নয়। ডাগ আউটে গোয়ানিজ কোচের ভূমিকা কেউ জানে না। কলকাতায় কোচের কি এতই অভাব? নীট ফল, টানা দুই মরশুম পুলিসের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়ল মোহন বাগান। স্কোরবোর্ডে এদিনের ফল ০-১। পুলিস এসির একমাত্র গোলদাতা মহম্মদ আমিল নয়িম। বড় ব্যবধানে হারলেও কিছু বলার ছিল না।  ম্যাচ শেষে কোচ ডেগি বলেন, ‘দলের প্রস্তুতিতে আরও সময় লাগবে। তবে আমরা ঘুরে দাঁড়াবই।’ আসলে সবুজ-মেরুন ম্যানেজমেন্টের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আইএসএল এবং ডেভেলপমেন্ট লিগ। ক্ষুব্ধ সমর্থকদের বলতে শোনা গেল, লিগে এই ছেলেখেলা বন্ধ হোক।
৪-৪-২ ছকে দল সাজিয়েছিলেন কোচ ডেগি। তবে মোহন বাগান খেলল প্রথম দশ মিনিট। এই পর্বে মিংমা ও সালাউদ্দিন কিছুটা নড়াচড়া করেন। এরপর শুরু উদ্দেশ্যহীন ফুটবল। বিশেষ করে সবুজ-মেরুনের বাঁ প্রান্ত। উইঙ্গার পাসাং তামাং ভ্যানিশ। ১৪ মিনিটে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান নিয়ে বেরিয়ে যান ডিফেন্ডার মুত্থুর। তাঁর জায়গায় মাঠে আসা বিলাল গোটা ম্যাচে নিজের জায়গা হাতড়ে বেড়ালেন। এই পর্বে মোহন বাগান একটাই সুযোগ পায়। তবে ছ’গজের বক্সে রাখা সালাউদ্দিনের সেন্টারের কাছে পৌঁছতে পারেননি মিংমা। পুলিস এসি প্রথম সুযোগই কাজে লাগায় প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে। পাসাংয়ের ফাউল থেকে ফ্রি-কিক পায় পুলিস দল। বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে নেওয়া শট জটলার মধ্যে থেকে জালে জড়ান আমিল (১-০)। 
লক্ষ্যভেদের উদ্দেশ্যে বিরতিতে দলে বদল আনেন কোচ ডেগি। তুষারের বদলে শিবম মুন্ডাকে মাঠে নামান তিনি। তাতে নড়াচড়া বাড়লেও কাজের কাজ হয়নি। শিবমের সেন্টার ধরে গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে মারেন পাসাং। এরপর আর নিশ্চিত সুযোগ আসেনি মোহন বাগানের কাছে। উল্টে পুলিসের পায়ে বল গেলেই সবুজ-মেরুন রক্ষণ ম্যালেরিয়া রোগীর মতো কাঁপল।  দলে ফিটনেসের অভাবও প্রকট। এই দল একসঙ্গে আদৌ অনুশীলন করে তো?
মোহন বাগান: দীপ্রভাত, সাহিল (নিয়াজ), লিওয়ান, মার্শাল, মুত্থুর (বিলাল), পাসাং (অদিত্য), মিংমা, সন্দীপ, সালাউদ্দিন, নংবা (টংসিন), তুষার (শিবম)।  

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ