অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা:
অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা:
২০১৮ সালে শেষবার ঘরোয়া লিগের খেতাব জিতেছিল মোহন বাগান। সাত বছরের খরা কাটাতে চলতি মরশুমে সবুজ-মেরুনের ভরসা তরুণ-ব্রিগেড। সোমবার নৈহাটি স্টেডিয়ামে পুলিস এসি’র বিরুদ্ধে লিগ অভিযান শুরু করছে তারা। ডেভেলপমেন্ট লিগের একঝাঁক উঠতি ফুটবলারদের নিয়ে প্রায় দু’সপ্তাহ প্রস্তুতি সেরেছেন কোচ ডেগি কার্ডোজো। এর মধ্যে দু’টি প্রীতি ম্যাচে জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ। তাই পুলিস এসির বিরুদ্ধে ৪-৪-২ ফর্মেশনেই আস্থা রাখছেন কোচ ডেগি। মূলত উইং থেকে আক্রমণ তুলে বক্সে জোড়া স্ট্রাইকারকে বল পৌঁছে দেওয়াই থাকবে লক্ষ্য। রবিবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে ঘণ্টা দেড়েকের অনুশীলনে সেই মহড়াই সারলেন সন্দীপরা। মাঠ ছাড়ার আগে কোচ ডেগি জানালেন, ‘প্রথম ম্যাচ। বেশ কিছু ফুটবলার প্রথমবার কলকাতা লিগে খেলবে। তাই শুরুর ১০ মিনিট চাপ থাকবে। তবে দ্রুত রাশ দখলে নিতে হবে। প্রথম ম্যাচ থেকেই তিন পয়েন্টের জন্য লড়বে দল।’
রাজ বাসফোর, টাইসন সিং, সেরতোরা দল ছেড়েছেন। সুহেল ভাট, দীপ্যেন্দু বিশ্বাসদের ফোকাস সিনিয়র দলে। এমন পরিস্থিতিতে দলে একাধিক নতুন মুখ। অভিজ্ঞ বলতে পাসাং তামাংদের মতো গুটিকয়েক ফুটবলার। তাই তিন পয়েন্টের লক্ষ্যে কোচ ডেগিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সালাউদ্দিনের দিকে। সুপার কাপে বেশ নজর কাড়েন তিনি। তবে কলকাতা লিগ তাঁর কাছে অ্যাসিড টেস্ট। ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে খুলবে আইএসএলের দরজা। পাশাপাশি নজর থাকবে সন্দীপ মালিকের উপরেও। চলতি মরশুমে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড উঠেছে তাঁরই হাতে। এদিন অনুশীলন শেষে তরুণ উইং-হাফ বলেন, ‘আইএসএলের মতো এবার কলকাতা লিগ জিততে চাই।’ সামান্য থেমে আক্ষেপের সুরে তাঁর সংযোজন, ‘ঘরের মাঠে এই ম্যাচ খেলতে পারলে আরও ভালো হতো।’
তৈরি পুলিস এসিও। চলতি মরশুমে চাকুরিজীবীদের পাশাপাশি বাইরের চার ফুটবলারকে সই করিয়েছেন কর্তারা। তবে রেজেস্ট্রশন না হওয়ায় মোহন বাগানের বিরুদ্ধে তাঁদের পাচ্ছেন না কোচ জোসেফ নায়েক। তাঁর মন্তব্য, ‘মোহন বাগান বড় দল। আরএফডিএল চ্যাম্পিয়ন। তাই হালকা ভাবে নিচ্ছি না। তবে আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামব।’
নৈহাটি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু দুপুর ৩টে। সরাসরি এসএসইন অ্যাপে।