Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আজ বারাসতে মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গলের লড়াই ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় ১১০০ পুলিশ ভিড় সামলানোই চ্যালেঞ্জ

আজ বহু প্রতীক্ষিত ডার্বি। মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গল। রবিবার থেকেই শহরজুড়ে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ

আজ বারাসতে মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গলের লড়াই ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় ১১০০ পুলিশ ভিড় সামলানোই চ্যালেঞ্জ
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আজ বহু প্রতীক্ষিত ডার্বি। মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গল। রবিবার থেকেই শহরজুড়ে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ। ম্যাচের উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ম্যাচ নির্বিঘ্নে শেষ করাই বারাসত জেলা পুলিশের কাছে বড়ো পরীক্ষা। রবিবার বারাসত স্টেডিয়ামে সাংবাদিক বৈঠক করে নিরাপত্তার খুঁটিনাটি জানিয়েছে পুলিশ। ছিলেন বারাসত পুলিশ জেলার সুপার জে মার্সি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় সহ পদস্থ কর্তারা। পুলিশ সুপার বলেন, ম্যাচ ঘিরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১১০০ পুলিশকর্মী ও অফিসার মোতায়েন করা হয়েছে। ছয়জন থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদমর্যাদার অফিসার এবং চার সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের একাংশের আশঙ্কা টিকিটধারী দর্শকদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সমর্থক স্টেডিয়ামের বাইরে জমায়েত করতে পারেন। টিকিট না-পাওয়া সমর্থকদের ভিড়ও তৈরি হতে পারে। ফলে, মাঠের ভিতরের নিরাপত্তার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বাইরে জমায়েত সামলানোই আজ বড়ো চ্যালেঞ্জ। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণেও একাধিক পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। স্টেডিয়াম লাগোয়া এলাকায় থাকবে ড্রপ গেট। মোহন বাগান সমর্থকদের গাড়ির জন্য স্টেডিয়াম লাগোয়া কিশলয় হোম চত্বর ও ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের জন্য জেলাশাসকের দপ্তর লাগোয়া কাছারি মাঠে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের জন্য থাকছে চারটি গেট। ম্যাচ শুরু বিকেল ৫টায়। গেট খুলবে বিকেল ৩টেয়। ১২ হাজার আসনের স্টেডিয়ামে প্রায় ১০ হাজার দর্শকের খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশের কাছে চিন্তা শুধু ডার্বির উত্তেজনা নয়, সোমবারের স্বাভাবিক জনজীবনও। স্কুল, কলেজ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখা চ্যালেঞ্জ। 

Advertisement

বারাসতের ফুটবলার সুরজিৎ রায় বলেন, বারাসতে ডার্বি মানে  স্বপ্নের বাস্তবায়ন। এতে করে বারাসতসহ আশপাশের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ জোগাবে। অন্যদিকে কলকাতার বুকে মাঠ কাঁপানো বারাসতের ফুটবলার সঞ্জীব চৌধুরী বলেন, একটা সময় যখন কলকাতায় খেলতাম, তখন বারাসতের জন্য বড়ো টুর্নামেন্টের জন্য অপেক্ষা করতাম। সোমবার ডার্বি হবে এতেই আনন্দের শেষ নেই। এই ধরনের ম্যাচ হলে বারাসত স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো আরও উন্নত। 
এদিকে পুলিশের পাশাপাশি প্রশাসনের পাশে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উদ্যোগী স্থানীয় বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। বেশ কয়েকটি ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন স্বেচ্ছাসসেবক টিমও। শংকর বলেন, বারাসতের মাটিতে প্রথম ডার্বি নিঃসন্দেহে গর্বের। ফুটবলের আবেগ যেন কোনোভাবেই মানুষের অসুবিধার কারণ না-হয় সেটাই আমার প্রধান লক্ষ্য। কোথাও ভিড় বাড়লে মানুষকে সহযোগিতা করা কিংবা পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না-যায়, সেদিকেও নজর থাকবে স্বেচ্ছাসেবকদের। এর মধ্যেই টিকিট নিয়ে ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা চরমে। টিকিট মিলছে না বলে অভিযোগ করছেন অনেকে। ‘কমপ্লিমেন্টারি’ টিকিট নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ