Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীমান্ত সমস্যা মেটানোর বার্তা মোদি-জিনপিংয়ের

সীমান্ত সমস্যা মেটাতে হবে দুই রাষ্ট্রের নিজেদের স্বার্থেই। আর সেজন্য ভারত ও চীনের মধ্যে এবার দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী একটি দ্বিপাক্ষিক উষ্ণ সম্পর্কের রোডম্যাপ তৈরি করা দরকার।

সীমান্ত সমস্যা মেটানোর বার্তা মোদি-জিনপিংয়ের
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে হবে দুই রাষ্ট্রের নিজেদের স্বার্থেই। আর সেজন্য ভারত ও চীনের মধ্যে এবার দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী একটি দ্বিপাক্ষিক উষ্ণ সম্পর্কের রোডম্যাপ তৈরি করা দরকার। দুই রাষ্ট্রই সেই পথে হাঁটতে বদ্ধ পরিকর। ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শনিবার সন্ধ্যায় ভারত ও চীনের দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই গ্রহণ করলেন মোদি-জিনপিং। নরেন্দ্র মোদি এবং জি জিনপিং বলেছেন, সীমান্ত সমস্যাকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের অন্তরায় করা যাবে না। দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্কের সমীকরণ রয়েছে, তার চালিকাশক্তি হোক বিশ্বাস। এদিনের বৈঠকের পর দুই রাষ্ট্রপ্রধান সহমত হয়েছেন একটি বা঩ক্যে। সেটি হল, সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বোঝাপড়া ও সমঝোতার মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিনের বৈঠকে যে বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন সেটি হল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্তের শান্তি ও স্থিতিশীলতা। শনিবার দিল্লির বৈঠকে জিনপিং এবং নরেন্দ্র মোদি উভয়েই স্বীকার করেছেন যে, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সীমান্ত সমস্যার সমাধান হবে। এদিনের বৈঠকে ভারতের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হল, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারতের ঘাটতির হার যে ক্রমবর্ধমান এবং সেই ঘাটতি দূর করা আশু প্রয়োজন, সেটি জিনপিং স্বীকার করেছেন। 

Advertisement

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের সাফল্যের তালিকা যথেষ্ট। ইরান মিসাইল ছুঁড়ছে সংযুক্ত আরবশাহিতে। ভারত একাধিকবার এনিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পাশেই দাঁড়িয়েছে। আমেরিকার ইরানে আগ্রাসনে ভারত সরাসরি কোনো নিন্দা করেনি। অথচ সেই ইরান ও আমিরশাহিকে  ব্রিকস সম্মেলনে আনতে এবং এক অধিবেশনস্থলে বসাতে সমর্থ হয়েছে ভারত। ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্রে ইরানকে আমেরিকার আক্রমণ সম্পর্কে কোনও শব্দই ব্যবহার করা হল না। ইরানের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতেই ব্রিকসের পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধান এই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করলেন। কিন্তু আমন্ত্রিত অতিথি ইরান কোনও অভিযোগ তুলল না ব্রিকসের মঞ্চে। ভারত চেয়েছিল ব্রিকস সন্ত্রাস এবং বিশেষ করে পাকিস্তানের নাম না করেও তাদের দিকে অঙ্গুলিহেলন করুক সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসেবে। ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে সেটা স্থান পেয়েছে। তাই ব্রিকসকে ভারত সরকার সফল হিসাবেই বর্ণনা করছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ