নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার কেন্দ্রের মোদি সরকারকে কার্যত তুলোধোনা করেন রাজ্যের শাসক দলের এমপিরা। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাল্টা বাংলার সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রও।
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার কেন্দ্রের মোদি সরকারকে কার্যত তুলোধোনা করেন রাজ্যের শাসক দলের এমপিরা। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাল্টা বাংলার সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রও।
এদিন রাজ্যসভায় শিক্ষামন্ত্রকের কার্যপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়। তৃণমূলের পক্ষে সেই আলোচনায় অংশ নেন দলীয় সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মৌসম নুর। ঋতব্রত বলেন, সমগ্র শিক্ষা মিশনে বাংলাকে কেন্দ্রীয় শেয়ারের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই কর্মসূচিতে বাংলার জন্য কেন্দ্রের বাজেট ছিল ২ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় শেয়ারের পরিমাণ ১ হাজার ৭৪৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্র দিয়েছে মাত্র ৩১১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা। চলতি অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত রাজ্যকে এই সংক্রান্ত টাকা দেওয়াই হয়নি। ঋতব্রতর আরও অভিযোগ, এনসিইআরটির পাঠ্যসূচি থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিয়েছে কেন্দ্র। আবার উত্তরপ্রদেশ সরকার সিলেবাস থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেই বাদ দিয়েছে।
মঙ্গলবার জবাবি ভাষণে তৃণমূলকে পাল্টা কাঠগড়ায় তোলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর অভিযোগ, পিএম পোষণ কর্মসূচির টাকা দলীয় কাজ্যে ব্যবহার করে তৃণমূল। ক্যাগ রিপোর্টেই তা ধরা পড়েছে। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, কার ঘর থেকে টাকার বাণ্ডিল উদ্ধার হয়েছিল? আপনাদের আগের শিক্ষামন্ত্রী এখন কোথায়? এরপর জোড় হাত কপালে ঠেকিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য, হে প্রভু! বলেন, ঋতব্রত সম্পূর্ণ বাম থেকে একেবারে ডানে চলে এসেছেন। কিন্তু পুরনো হ্যালুসিনেশন এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এনসিইআরটির সিলেবাস থেকে কিছু গণআন্দোলনের অধ্যায় আমরা নাকি বাদ দিয়েছি। হ্যাঁ, দিয়েছি। কারণ এই সশস্ত্র হিংসার অধ্যায় নিষ্প্রয়োজন। কিষেণজির সঙ্গে আপনার এখনকার পার্টি কী করেছিল?