নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ময়না থানার রায়চক গ্রামের চণ্ডীয়া নদীতে মুণ্ডুহীন এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবতীর বস্তাবন্দি দেহ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে এক গ্রামবাসী বস্তা থেকে ডান হাত বেরিয়ে থাকতে দেখেন। ওই দৃশ্য দেখেই আতঙ্কে নদী থেকে দৌড় মেরে বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের ঘটনাটি জানান। নদীতে এখন জল কম। জলকাদার মধ্যেই ওই বস্তা পড়েছিল। ওই এলাকায় নদীতে জোয়ার-ভাটা হয়। তাতে ওই বস্তা ভেসে এসেছে নাকি খুন করে বস্তা ওই এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। সকালে ওই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আশপাশের এলাকা থেকে প্রচুর লোকজন জড়ো হন। নদীর ধারে কয়েকশো মানুষের ভিড় জমে। খবর পেয়ে ময়না থানার পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। অজ্ঞাতপরিচয় ওই যুবতী বিবাহিত। হাতে শাঁখাপলা রয়েছে। মাথা না থাকায় পরিচয় উদ্ধার করতে সমস্যায় পড়েছে পুলিস। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রায়চক গ্রামের এক মৎস্যজীবী নদীতে মাছ ধরতে ওই জায়গায় গিয়েছিলেন। প্রথম তাঁর নজরে ওই বস্তা আসে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য তিমির বেরা ঘটনাস্থলে যান। মুহূর্তের মধ্যে ময়নার বিভিন্ন এলাকায় ওই খবর ছড়িয়ে পড়ে। শ্রীধরপুর গ্রামের বাসিন্দা শঙ্কর সামন্ত বলেন, আমি বাজারে গিয়ে রায়চক ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় বস্তাবন্দি যুবতীর দেহ নদীতে পড়ে থাকার খবর পাই। আমাদের এই এলাকায় এধরনের ঘটনা অতীতে কখনও ঘটেনি। তাই মানুষজনের মধ্যে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, মৃতার পরিচয় জানাটা জরুরি। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং কারা এরজন্য দায়ী সেটা অনুসন্ধান হওয়া জরুরি।
স্থানীয় দুবরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা অয়ন বর্মন এদিন ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি বলেন, সকালে চণ্ডীয়া নদীতে চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। অন্যদিনের মতো এদিনও দু’-একজন ওই এলাকায় নদীতে চিংড়ি মাছ ধরতে চণ্ডীয়া নদীতে এসেছিলেন। তাঁদের একজন ওই বস্তা দেখতে পান। তার ভিতর থেকে ডানহাত বেরিয়েছিল। হাতে শাঁখাপালা পরা দেহটি একজন মহিলার বলে আমরা নিশ্চিত হই। নদীতে এখন জল কম। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ পোঁতা রয়েছে। অনেক জায়গায় জাল পাতা আছে। দেহ ভেসে এলে বিভিন্ন জায়গায় আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই ভেসে এসেছে নাকি খুন করে এখানেই ফেলে দেওয়া হয়েছে এখনও পরিষ্কার নয়।
এদিন নদীর ধারেই শবদেহ বহনকারী গাড়ি নিয়ে হাজির হয় পুলিস। দেহ তোলার পর তাতে চাপিয়ে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত যুবতীর পরিচয় খুঁজে বের করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিস। বিভিন্ন থানায় এনিয়ে খবর পাঠানো হয়েছে। কোথাও যুবতী মিসিংয়ের ডায়েরি হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস। পুলিস সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় দুবরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা অয়ন বর্মন এদিন ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি বলেন, সকালে চণ্ডীয়া নদীতে চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। অন্যদিনের মতো এদিনও দু’-একজন ওই এলাকায় নদীতে চিংড়ি মাছ ধরতে চণ্ডীয়া নদীতে এসেছিলেন। তাঁদের একজন ওই বস্তা দেখতে পান। তার ভিতর থেকে ডানহাত বেরিয়েছিল। হাতে শাঁখাপালা পরা দেহটি একজন মহিলার বলে আমরা নিশ্চিত হই। নদীতে এখন জল কম। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ পোঁতা রয়েছে। অনেক জায়গায় জাল পাতা আছে। দেহ ভেসে এলে বিভিন্ন জায়গায় আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই ভেসে এসেছে নাকি খুন করে এখানেই ফেলে দেওয়া হয়েছে এখনও পরিষ্কার নয়।
এদিন নদীর ধারেই শবদেহ বহনকারী গাড়ি নিয়ে হাজির হয় পুলিস। দেহ তোলার পর তাতে চাপিয়ে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত যুবতীর পরিচয় খুঁজে বের করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিস। বিভিন্ন থানায় এনিয়ে খবর পাঠানো হয়েছে। কোথাও যুবতী মিসিংয়ের ডায়েরি হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস। পুলিস সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।



