সংবাদদাতা, কাটোয়া: ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলকোট, কেতুগ্রামে বাড়ছে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল। মঙ্গলকোটে রহস্যজনক বাইক দুর্ঘটনায় তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুতে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। শাসকদলেরই একধাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাতে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। সেই কোন্দল আরও স্পষ্ট হল বিধায়কের বক্তব্যে। শুক্রবার মঙ্গলকোটের শিমুলিয়াতে কর্মিসভা করেন বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। সেখানে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, খেলা যদি করতেই হয়, মাঠে দেখব কে কত বড় খেলোয়াড় হয়েছে। বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে বলেন, মঙ্গলকোটে খুনের রাজনীতি বাম জমানাতেই শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই রাজনীতি আবার ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। দু’ জনকে খুন করতে গিয়েছিল। কিন্তু তারা ভাবেনি, একজনকে ঈশ্বর বাঁচিয়ে দেবে। তিনি ফিরে এসে আপনাদের সামনে বলবে, কারা এর পিছনে ছিল।
Advertisement
প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেলে কাটোয়া আদালত থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি মফিজুল শেখ ও কর্মী লালু শেখ পভ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। একটি চারচাকা গাড়ির সঙ্গে তাঁদের বাইকের ধাক্কা লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মঙ্গলকোটের নতুনহাট গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। লালু শেখের মৃত্যু হয় আর আশঙ্কাজনক মফিজুলের বর্তমানে কলকাতায় চিকিৎসা চলছে। বৃহস্পতিবার মৃতের ছেলে সাহিন শেখ মঙ্গলকোট থানায় দলেরই নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লিখিত খুনের অভিযোগ জানান। তিনি পুলিসকে জানিয়েছেন, পরিকল্পিত ভাবে তাঁর বাবাকে খুন করা হয়েছে। আর অঞ্চল সভাপতিকেও খুনের চেষ্টা করা হয়। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক, আইএনটিটিইউসির নেতা, যুবনেতা, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধক্ষ্য সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মঙ্গলকোটজুড়ে এখন প্রায়ই শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়ছে। মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান চন্দন সরকার ওরফে শান্ত ও বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যেই মূলত দ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষরা তাঁদের অনুগামীদের নিয়ে বিধায়কের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীতে নাম লেখায়। বিধায়ক ও তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায়ই মারমারি হচ্ছে। একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে। মফিজুল শেখ বিধায়ক গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল।
এদিন বিধায়ক ভরা সভায় বলেন, দলের যারা লুটেপুটে খেয়েছে তাদের বাদ দিয়েছি বলে গায়ে জ্বালা ধরছে। যাদের জীবন বাজি রেখে ভোটে জেতালাম, তারা এখন হানাদারদের মাথায় নিয়ে নাচছে। অহংকার পতনের কারণ। বিধায়ক আরও বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর বেইমানদের এলাকাছাড়া করিনি। এখন মনে হচ্ছে ভুল করেছিলাম। খেলা হবে। নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে ২০২৬ সালে ভোটে লিড আরও বাড়বে। বিধায়ক বিরোধী গোষ্ঠীর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য মেহেবুব চৌধুরী বলেন, আমার কিছু বলার নেই, দল বলবে। এদিন পুলিস ঘাতক গাড়িটি খুঁজে বের করেছে। চানক এলাকায় সেটি রাখা ছিল। গাড়ির মালিকের খোঁজে পরিবহণ দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছে পুলিস। এদিকে কেতুগ্রামেও ভোটের আগে দলীয় কোন্দল বেড়েছে। চেঁচুড়ি গ্রামের বিস্ফোরণের পর সেই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলকোট আগে অনুব্রত মণ্ডল দেখতেন। কিন্তু তিনি জেলে যাওয়ার পর সংগঠন আড়াআড়ি ভাগ হয়ে যায়। অনুব্রত ময়দানে ফিরতেই ক্ষমতা কার হাতে থাকবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
এদিন বিধায়ক ভরা সভায় বলেন, দলের যারা লুটেপুটে খেয়েছে তাদের বাদ দিয়েছি বলে গায়ে জ্বালা ধরছে। যাদের জীবন বাজি রেখে ভোটে জেতালাম, তারা এখন হানাদারদের মাথায় নিয়ে নাচছে। অহংকার পতনের কারণ। বিধায়ক আরও বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর বেইমানদের এলাকাছাড়া করিনি। এখন মনে হচ্ছে ভুল করেছিলাম। খেলা হবে। নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে ২০২৬ সালে ভোটে লিড আরও বাড়বে। বিধায়ক বিরোধী গোষ্ঠীর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য মেহেবুব চৌধুরী বলেন, আমার কিছু বলার নেই, দল বলবে। এদিন পুলিস ঘাতক গাড়িটি খুঁজে বের করেছে। চানক এলাকায় সেটি রাখা ছিল। গাড়ির মালিকের খোঁজে পরিবহণ দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছে পুলিস। এদিকে কেতুগ্রামেও ভোটের আগে দলীয় কোন্দল বেড়েছে। চেঁচুড়ি গ্রামের বিস্ফোরণের পর সেই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলকোট আগে অনুব্রত মণ্ডল দেখতেন। কিন্তু তিনি জেলে যাওয়ার পর সংগঠন আড়াআড়ি ভাগ হয়ে যায়। অনুব্রত ময়দানে ফিরতেই ক্ষমতা কার হাতে থাকবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।



