সংবাদদাতা, কাটোয়া: মঙ্গলকোটে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল বাইক আরোহী এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম লালু শেখ(৪৭)। তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোটের লাখুরিয়ায়। তিনি সম্পর্কে লাখুরিয়া পঞ্চায়েতের প্রধানের শ্বশুর ছিলেন। ঘটনায় জখম হয়েছেন লাখুরিয়া অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি মফিজুল শেখ। তাঁকে মঙ্গলকোটের নতুনহাট গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। কাটোয়ার এসডিপিও কাশীনাথ মিস্ত্রি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনই এব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে একটি বাইকে মফিজুল শেখ ও লালু শেখ লাখুরিয়ার কল্যাণপুর থেকে কাটোয়া এসেছিলেন। কাজ সেরে তাঁরা কাটোয়া থেকে বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন। নতুনহাট-গুসকরা রোড ধরে তাঁরা যাচ্ছিলেন। আটঘরার কাছে একটি চারচাকা গাড়ি বাইকটিকে ধাক্কা মারে। দু’জনেই বাইক থেকে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা দু’জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মঙ্গলকোটের নতুনহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক লালু শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর মফিজুলের চিকিৎসা শুরু করা হয়।
মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে আমি জানি না। তবে, মঙ্গলকোটে যা চলছে তাতে দুর্ঘটনাটি পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। পুলিস তদন্ত করছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলকোটজুড়ে এখন প্রায়ই শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়ছে। বিধায়ক ও তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায়ই মারধরের ঘটনা ঘটছে। মফিজুল শেখ বিধায়ক গোষ্ঠীর নেতা বলে পরিচিত ছিল। সম্প্রীতি তাঁর নামেও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজন একাধিক অভিযোগ এনেছিল। ওই এলাকাতেও দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল কয়েকদিন আগেই। সে নিয়েও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজন মফিজুলের নামে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল। তাই এটা দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত খুন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে আমি জানি না। তবে, মঙ্গলকোটে যা চলছে তাতে দুর্ঘটনাটি পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। পুলিস তদন্ত করছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলকোটজুড়ে এখন প্রায়ই শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়ছে। বিধায়ক ও তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায়ই মারধরের ঘটনা ঘটছে। মফিজুল শেখ বিধায়ক গোষ্ঠীর নেতা বলে পরিচিত ছিল। সম্প্রীতি তাঁর নামেও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজন একাধিক অভিযোগ এনেছিল। ওই এলাকাতেও দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল কয়েকদিন আগেই। সে নিয়েও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজন মফিজুলের নামে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল। তাই এটা দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত খুন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।



