Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মণ্ডপে ঢুকতে না দেওয়ায় পুলিসের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ অভিযোগ মদ্যপ মহিলার

মণ্ডপে ঢুকতে না দেওয়ায় পুলিসের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ অভিযোগ মদ্যপ মহিলার
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সোমবার ভোর চারটের সময় বারাসতের একটি পুজো মণ্ডপ দেখতে গিয়ে পুলিসের হেনস্থার অভিযোগ তোলেন এক মহিলা। যদিও বারাসত থানার পুলিস হেনস্থা বা মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছে। পুলিসের সাফ দাবি, ওই মহিলা দর্শনার্থী মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পূর্ব ঘোষণা মতো রবিবার রাত ১২টা থেকেই মণ্ডপ বন্ধ করা হয়েছিল। এরপরেও পুলিস বা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে মদ্যপ অবস্থায় প্যান্ডেলে ঢুকে ঠাকুর দেখার জন্য চেষ্টা করছিল। পুলিস কর্মীদের সঙ্গে ঠালাধাক্কাও করেন। মহিলাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে নেশা কেটে যাওয়ার পর ভুল স্বীকার করে নেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
বারাসত পুলিস জেলার পক্ষ থেকেই আগে থেকে ঘোষণা করা হয়, রবিবার রাত ১২ টায় শহরের সব কালীপুজোর প্যান্ডেলের আলো ও গেট বন্ধ হয়ে যাবে। পুলিসের সেই নির্দেশ কার্যকর করেছিলেন বারাসত এবং মধ্যমগ্রামের সব পুজো কমিটির কর্তারাই। রবিবার ছিল কালীপুজোর শেষ রাত। সোমবার ভোর চারটের সময় দেখা যায় বারাসতের টাকি রোড সংলগ্ন একটি পুজো প্যান্ডেলের সামনে দর্শনার্থীদের জটলা। এরমধ্যেই বারাসতের বাসিন্দা ওই মহিলা প্যান্ডেলে ঢুকে ঠাকুর দেখার আব্দার করতে থাকেন। পুলিস যথারীতি বাধা দেয়। ওই মহিলা দর্শনার্থীকে সমর্থন জানায় ঠাকুর দেখতে আসা অন্যরাও। এই নিয়েই শুরু হয় পুলিসের সঙ্গে দর্শনার্থীদের বচসা। অভিযোগ, পুলিস ওই মহিলা দর্শনার্থীকে হেনস্থা করে। তাঁকে মারধর করেছে। এই নিয়ে জোর উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিস ওই মহিলা দর্শনার্থীকে থানায় নিয়ে আসে। প্রথমে মহিলার দাবি ছিল, আমি প্যান্ডেলে এলে পুলিস ঢুকতে বাধা দেয়। বারেবারে অনুরোধ করেও কাজ হয় নি। এরপর এক মহিলা পুলিস কর্মীকে আমাকে থাপ্পড় মারতে থাকে। আমার ফোনও কেড়ে নেন ওই মহিলা পুলিস কর্মী। তাঁর সঙ্গে অনান্য মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা আমাকে হেনস্থা করেছে। আমার শ্লীলতাহানি করা হয়। প্যান্ডেল দেখতে এসে এভাবে আক্রান্ত হতে হবে ভাবিনি। এর কয়েকঘণ্টা পর অবশ্য ভোল বদলান অভিযুক্ত। পুলিসের কাছে তিনি ভুল স্বীকার করেছেন। ১০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি পুলিসের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে বাজে কথা বলেছিলাম। এর জন্য আমি দুঃখিত ও লজ্জিত’। বারাসত থানার এক পুলিস কর্তা বলেন,ওই মহিলা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। আগেও তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে পুলিসের সঙ্গে ঝামেলা় করেছিলেন। থানায় এনে তাঁকে বসিয়ে রাখা হয়। নেশার ঘোর কেটে গেলে তিনি ভুল স্বীকার করেন। তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ