নয়াদিল্লি: তিরুপতির মন্দিরে ধাক্কাধাক্কিকে নীচে পড়ে গেলেও ‘ঈশ্বরের কৃপায়’ বেঁচে গিয়েছেন।এমনটাই মনে করছেন ডি ভেঙ্কটলক্ষ্মী। বৃহস্পতিবারও তাঁর চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। বলছিলেন, ‘সকাল ১১টায় লাইন দিয়েছিলাম। সন্ধে সাতটা নাগাদ হঠাৎ গেট খুলতেই সকলে সেদিকে এগতে থাকে। হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন পড়ে যায়। তারমধ্যে আমিও ছিলাম। প্রাণ বাঁচাতে চিৎকার করি। কিন্তু, প্রথমে কেউই সাহায্য করেনি। একসময় মনে হচ্ছিল মরেই যাব! পিছনের লোকেরা মাড়িয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল। সকলকে লাইন দিয়ে এগনোর কথা ঘোষণা করা হচ্ছিল। কিন্তু, কে শোনে কার কথা! এরমধ্যে ৫-৬ জন ছেলে ভিড় থেকে আমায় টেনে বের করে আনে। জলও খেতে দেয়।’ এই দুর্ঘটনার জন্য পুলিস ও কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন এই বৃদ্ধা। তিনি আরও বলেন, ‘২৫ বছর ধরে মন্দিরে আসছি। কোনওদিন এধরনের ঘটনা ঘটেনি। পুলিস ভিড় সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না।’ অন্য এক পুণ্যার্থী জানিয়েছেন, ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য ভিতরে কোনও পুলিসই ছিল না। সকলে বাইরে দাঁড়িয়েছিল। তারা হঠাৎই একটি গেট খুলে দেওয়াতেই সমস্যা তৈরি হয়। পুলিসি গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন তিনি।



