সংবাদদাতা, চাঁচল: কোথাও পাথর উঠে গিয়ে গর্ত তৈরি হয়েছে,আবার কোথাও জমে রয়েছে জল। চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার পরিবারকে সেই ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। চাঁচল-২ ব্লকের মালতীপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে এনায়েতনগর পর্যন্ত বাইপাস সড়ক সংযোগকারী ৮ কিমি বেহাল রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। বছরের পর বছর কাটলেও গ্রামীণ সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। ফলে ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে রোগী ও সাধারণ মানুষ সকলেই দুর্ভোগ পড়েছেন। এমনকী ওই রাস্তায় চলতে গিয়ে অনেকে দুর্ঘটনার কবলেও পড়ছেন।
মালতীপুরে রয়েছে বিডিও, বিএলআরও অফিস সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গৌরহন্ড, ক্ষেমপুর, ধানগাড়া ও মালতীপুর পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাকে এই রুট ধরেই মালতীপুরে আসতে হয়। ব্যস্ততম রাস্তা হলেও সংস্কারে কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। রাস্তার বিভিন্ন অংশে পিচের চাদর উঠে ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও আবার পাথর ছড়িয়ে রয়েছে। বর্ষাকালে খানাখন্দে জল জমে থাকে।
ধানগাড়া এলাকার বাসিন্দা মুরশেদ আলি বলেন, চাঁচল ও মালতীপুরে যাওয়ার জন্য এই রুটে শুধুমাত্র টোটো পাওয়া যায়। রাস্তা বেহালের জন্য বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়। টোটো উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে। জয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, হাসপাতালে রোগী ও প্রসূতি নিয়ে যেতে অনেকটা সময় অপচয় হয়। এই এলাকা কৃষি প্রধান। হাটে বাজারে ফসল বিক্রি করতে গেলে চড়া দরে গাড়ি ভাড়া করতে হয়। মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, আমিও নিয়মিত এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি। মানুষের দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করেছি। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরে ৮ কিমি রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা রাখছি দ্রুত কাজ হবে। এনায়েতনগরে বেহাল রাস্তা। -নিজস্ব চিত্র