সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মল্লারপুরের শিউলিয়া গ্রামে শুক্রবার আগুন লেগে তিনটি বাড়ি ভস্মীভূত হল। তিনটি পরিবার একের অপরের আত্মীয়। প্রথমে পড়শিরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে সাঁইথিয়া থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে খড়ের চালা দেওয়া তিনটি মাটির বাড়ি পুড়ে গিয়েছে। দমকল সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১০টা নাগাদ ওই গ্রামে প্রথমে সৈয়দ নুরুল আফসারের বাড়ির পাঁচিলে থাকা খড়ের ছাউনিতে আগুন লাগে। তারপর সেই আগুন তাঁর খুড়তুতো ভাই সৈয়দ আমিরুল আলম ও তাঁদের জামাই সৈয়দ হায়দার আলির বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। তিনটি বাড়িই মাটির তৈরি ও খড়ের চালা দেওয়া। নিমেষের মধ্যে বাড়ি তিনটি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। পরিবারের লোকজন বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে পড়শিরা জড়ো হন। তাঁরা প্রথমে পাম্প চালিয়ে পাইপের মাধ্যমে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। ঘণ্টাখানেক পর সাঁইথিয়া থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তিনটি বাড়ির সমস্ত সামগ্রী পুড়ে গিয়েছে। বিশেষভাবে সক্ষম আমিরুল আলমের ছেলে সৈয়দ ইউসুফ আজাদ বলেন, দিনমজুরি করে সংসার চালাই। বিধ্বংসী আগুনে তিনটি বাড়ির আসবাবপত্র, ছেলেপুলের পড়াশোনার বই, মজুত খাবার পুড়ে গিয়েছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই। আবেদন জানিয়েও আমরা সরকারি ঘর পাইনি। সেটা পেলে ক্ষতি কম হতো। তাঁর দাবি, নুরুলের বাড়ির বিদ্যুতের তার পাঁচিলের পাশ দিয়ে এসেছে। সেই তারে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছিল।



