Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মূলগ্রাম উদিত সূর্য সঙ্ঘের ‘সম্প্রীতি কাপ’ ঘিরে উচ্ছ্বাস

মূলগ্রাম উদিত সূর্য সঙ্ঘের ‘সম্প্রীতি কাপ’ ঘিরে উচ্ছ্বাস
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
কাজলকান্তি কর্মকার, ঘাটাল: বিপুল উন্মাদনার মধ্য দিয়ে ঘাটাল ব্লকের মূলগ্রাম উদিত সূর্য সঙ্ঘের ‘সম্প্রীতি কাপ-২০২৫’ শুরু হল। শনিবার সকালে মূলগ্রাম মাঠে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আট দলীয় নক-আউট ফুটবল প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। দু’দিনের দিবারাত্র এই প্রতিযোগিতা ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যায়। 
Advertisement
উদিত সূর্য সঙ্ঘের এই ফুটবল টুর্নামেন্টটি মহকুমার অন্যতম জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হিসেবে পরিচিত। ক্লাব সম্পাদক শেখ সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে ওই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। খেলা দেখার জন্য মাঠে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার দর্শক উপস্থিত হন। এছাড়াও জায়ান্ট স্ক্রিন সহ খেলার লাইভ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয়। ফলে মহকুমার বাসিন্দারা যাঁরা বাইরে থাকেন, তাঁরাও ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই খেলা উপভোগ করেন। 
ক্লাবের সহ-সম্পাদক শেখ খুরসেদ আলম বলেন, সব মিলিয়ে এই খেলা জাতি-ধর্ম-বয়স নির্বিশেষে এলাকার মানুষের কাছে একটি উৎসবের চেহারা নেয়। খেলা দেখার জন্য প্রবীণদেরও ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাগ। তাঁদের সুষ্ঠুভাবে খেলা দেখার জন্য একটি ‘প্রবীণ মঞ্চ’ও করা হয়। যেখানে শুধুমাত্র প্রবীণরাই বসে খেলা দেখার সুযোগ পান।
ক্রীড়া সম্পাদক শেখ সাজ্জাদ গায়েন ও সহ সভাপতি শেখ ইস্তাক আলম বলেন, প্রথম দিন কুশপাতা পুষ্টি বেকারি একাদশ, বাঁকুড়া ইসমাইল চক, গোহালসিনি তামিম সাকিলা একাদশ ও পাঁশকুড়া আজাদ হিন্দ ক্লাব অংশগ্রহণ করেছিল। আজ, শনিবার ঘাটাল কোন্নগর সাইক্লোন অ্যাথলেটিক ক্লাব, চন্দ্রকোণা পিআরএমএসটি দীপ একাদশ, আধারিয়া বিদ্যুৎ বাহিনী ইয়ং স্টার ক্লাব ও গড়বেতা এনএস গাঁউতা খেলায় অংশগ্রহণ করবে।
ক্লাবের জন্মলগ্ন থেকেই সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সদস্য শঙ্কর দলুই। তিনি বলেন, চূড়ান্ত খেলায় যাঁরা অংশগ্রহণ করেন, তাঁদের আমরা আকর্ষণীয় পুরস্কার দিই। প্রত্যেক দলকে সুদৃশ্য ট্রফি ছাড়াও এবার চ্যাম্পিয়ন দলকে ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। রানার্স দলকে ৫০ হাজার টাকা এবং সেমি ফাইনালে ওঠা অন্য দু’টি দলকে সুদৃশ্য ট্রফির পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করতে প্রচুর টাকার দরকার হয়। গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা এই প্রতিযোগিতার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেন।
এই ক্লাব সারাবছর রক্তদান, বস্ত্রদান, পড়ুয়াদের শিক্ষা সামগ্রী দেওয়ার মতো নানা ধরনের সমাজ সেবামূলক কাজ করে থাকে। করোনার সময় ক্লাব সদস্যরা মাস্ক, স্যানিটাইজার বিলি এবং এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার যেভাবে করেছিলেন, তা তিন-চারটি গ্রামের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ