ঢাকা: মৌলবাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে এবার রোষের শিকার হলেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমণি। মৌলবাদীদের রোষের শিকার হয়ে পরীমণি বলেছিলেন, ‘এত চুপ করে থাকা যায় নাকি! পরাধীন মনে হচ্ছে।’ আর তার পরেই বছর তিনেক আগের একটি মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় অভিনেত্রীর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হল। যদিও পরীমণি জানিয়েছিলেন, অসুস্থতার জন্য তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। সোমবার ঢাকার সিজেএম আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন অভিনেত্রী। এরপর আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। যদিও মুখ খোলার পরেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মধ্যে ‘ষড়যন্ত্র’ খুঁজে পাচ্ছেন পরীমণির অনুরাগী ও বাংলাদেশের বাসিন্দাদের একাংশ।
Advertisement
গত শনিবার টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে প্রসাধন সামগ্রীর একটি শোরুমের উদ্বোধন করার কথা ছিল পরীমণির। কিন্তু সেকথা প্রচার হতেই আপত্তি তোলে হেফাজতে ইসলাম সহ কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন। প্রবল চাপের মুখে শোরুম উদ্বোধনের অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেন আয়োজকরা। এরপরই পরীমণি সমাজ মাধ্যমে লেখেন, শিল্পীদের এতো বাধা কেন আসবে? ইনসিকিওর ফিল হচ্ছে। এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা?’ তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘ধর্মের দোহাই দিয়ে কি প্রমাণ করতে চলেছেন তারা? কী বলার আছে আর। এ দেশে সিনেমা, বিনোদন সব বন্ধ করে দেওয়া হোক তাহলে।’ শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁদের ব্যবহার করা হয়েছিল কী না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে পরীমণি ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ঢাকার বোট ক্লাবে ঢুকে গণ্ডগোল করেছেন। এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে পরীমণি কাচের গ্লাস ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ব্যবসায়ী অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে পরীমণি ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ঢাকার বোট ক্লাবে ঢুকে গণ্ডগোল করেছেন। এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে পরীমণি কাচের গ্লাস ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ব্যবসায়ী অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।



