সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: শ্যামপুরের আইমা এলাকায় থাকা কাঠের সেতু দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। পাশে একটি ঢালাই সেতু নির্মানের কাজ চললেও সেটা সম্পূর্ণ না হওয়ায় এই কাঠের সেতু দিয়েই পারাপার চলছে। সম্প্রতি ঢালাই সেতুর কাজ পরিদর্শনে গিয়ে জরাজীর্ণ এই কাঠের সেতুটি নজরে আসে বিধায়ক হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের। সেতুটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছেন বিধায়ক।
দামোদরের একটি শাখা গড়চুমুক হয়ে ভাগীরথীতে মিশেছে। অন্য শাখাটি আইমা গ্রামের মধ্যে দিয়ে গিয়ে ভাগীরথীতে গিয়েছে। নদীর এই শাখাটির উপরেই আছে বহুদিনের পুরনো একটি কাঠের সেতু। নবগ্রাম, ধান্দালি, বালিচাতুরি ও বেলাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের কাছে এই কাঠের সেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বর্তমানে কাঠের সেতুটি জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। পূর্বতন সরকারের আমলে কাঠের সেতুর পরিবর্তে এখানে একটি নতুন ঢালাই সেতু তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। সেইমতো কাজও শুরু হয়েছে। যদিও ঢালাই সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় কাঠের সেতু দিয়েই সাধারণ মানুষকে পারাপার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য কাঠের সেতু পেরিয়ে শ্যামপুর ১ ব্লক অফিস, পঞ্চায়েত সমিতির অফিস, থানা, স্কুল কলেজ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সাধারণ মানুষকে যেতে হয়। তাঁদের বক্তব্য কাঠের সেতু বিপজ্জনক হওয়ায় যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে অটো, টোটো করে কাঠের সেতুর এক প্রান্তে এসে নামার পর ফের ওপারে গিয়ে যানবাহন ধরতে হচ্ছে। ফলে খরচও বেশি হচ্ছে।
অন্যদিকে কাঠের সেতু সংস্কার নিয়ে বিধায়ক বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে কাঠের সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমি সেতুটি সংস্কারের জন্য জেলাশাসকে চিঠি দিয়েছি। অন্যদিকে, বর্তমানে কাঠের সেতুর দায়িত্বে থাকা পিউস পাল বলেন, সরকারের তরফে সেতু সংস্কারের প্রস্তাব এলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নিজস্ব চিত্র