সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আচমকা পরিদর্শনে হাজির বিধায়ক। দেখা নেই দুই শিক্ষকের। গত শনিবার বেলা একটা নাগাদ গাজোলের পাণ্ডুয়া নিমতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিলেন অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অরূপ কুমার দাস। সোমবার স্কুলের প্রধান ও সহ শিক্ষককে সার্কেল অফিসে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে। আচমকা গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন ওই স্কুল পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে ভবন এবং বাগান চত্বর ঘুরে দেখেন।
বিধায়কের অভিযোগ, দুপুর একটার দিকে একজন শিক্ষককেও দেখতে পাওয়া যায়নি। শিক্ষক না থাকায় পড়ুয়ারা খেলছিল। পরে আমার সঙ্গে প্রধান শিক্ষক দেখা করেন। তিনি বলেছেন, গ্রামে গিয়েছিলেন।
পরিদর্শনের পর চিন্ময়ের অভিযোগ, স্কুলের চারিদিকে জঙ্গল। বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। প্রশাসনকে জানানো হবে। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে। এখন পড়ুয়া ৩২ জন। শনিবার শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ অনুয়ায়ী ফিজিক্যাল এডুকেশন পরীক্ষা ছিল। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অবিনয় মার্ডি বলেন, শনিবার বিধায়ক এসেছিলেন। শৌচালয়ে ছিলাম বলে তিনি দেখতে পাননি। আরেক শিক্ষক শরীর খারাপের জন্য সেদিন স্কুল থেকে আগে বেরিয়ে যান। পান্ডুয়া সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই স্কুলের শিক্ষকদের সার্কেল অফিসে দেখা করতে বলা হয়েছে। এদিকে, শাসকদলের ছত্রছায়ায় থেকে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফাঁকি মারার অভিযোগ করেছেন বিধায়ক। সেপ্রসঙ্গে গাজোল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীনেশ টুডু বলেন, মদত দেওয়ার সংষ্কৃতি বিজেপির। তৃণমূল এসব করে না। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে বিষয়গুলি শিক্ষা দপ্তর দেখবে।