নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজপুর সোনারপুর পুরসভা এলাকায় জমা জলের যন্ত্রণার অবসান কি হতে চলেছে এবার? অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিলেন সোনারপুর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর। কয়েকদিন আগে সেচদপ্তরের অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে এই এলাকায় কীভাবে বৃষ্টির জল জমা থেকে আটকানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে জল বের করার ব্যবস্থা করতে হবে বলে মতামত উঠে আসে। কীভাবে সেই কাজ হবে, সেটাই মূলত আলোচিত হয়েছিল। পরে সাংবাদিকদের বিধায়ক বলেন, একদিকে বিদ্যাধরী নদী ও অপরদিকে টালি নালা। পুর এলাকার জমা জল দু’দিকে এই দুটি জলধারা দিয়েই বের করা হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, মূল শহরটি নিচু হয়ে গিয়েছে এবং আশপাশ এলাকা উঁচু। পঞ্চায়েত এলাকায় খালের উপর বাড়ি ও দোকান গজিয়ে উঠেছে। তাতেও জল যাওয়ার রাস্তা অনেকটা বিঘ্নিত হয়েছে। সেগুলি দ্রুত ভেঙে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগিয়ে এবং আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে এই কাজ করতে হবে। প্রতিবছরই এই পুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জমা জলের সমস্যায় জেরবার হয়। অতি ভারী বৃষ্টি অথবা নিম্নচাপের সময় গড়িয়া, বোড়াল, সোনারপুর, সুভাষগ্রামের বহু এলাকা জলে ডুবে থাকে। এই পুরসভার বাসিন্দাদের অন্যতম দাবি হল, জলযন্ত্রণা থেকে তাঁদের মুক্তি দেওয়া। সেই ইস্যুতেই উদ্যোগী হয়েছেন বিজেপির বিধায়ক। পুজোর পরই স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন দেবাশিসবাবু। একইসঙ্গে যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।



