Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খানাকুলে অবৈধ নির্মাণ ভাঙলেন বিধায়ক

অবৈধ নির্মাণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাই এবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে খানাকুলেও চলল বুলডোজার।

খানাকুলে অবৈধ নির্মাণ ভাঙলেন বিধায়ক
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: অবৈধ নির্মাণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাই এবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে খানাকুলেও চলল বুলডোজার। বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ দাঁড়িয়ে থেকে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দিলেন অবৈধ নির্মাণ। রবিবার সকালে খানাকুলের নন্দনপুরের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিধায়ক সাফ জানিয়েছেন, নতুন করে কোনো অবৈধ নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। সেচ খাল তথা নয়ানজুলিতে জল যাওয়ার জন্য একাধিক জায়গায় বেআইনি নির্মাণ হয়েছিল। তৃণমূলের মদতে সেগুলি হয়। নতুন করে কেউ এসব করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement

এদিন নন্দনপুর এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ অংশ অবৈধ বলে চিহ্নিত করা হয়। তারপর সেটিকে ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিধায়ক। তার জেরে খানাকুলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
উল্লেখ্য, বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বুলডোজার দিয়ে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়। এবার খানাকুলেও বুলডোজার দিয়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হল। বিধায়কের দাবি, আরামবাগের মায়াপুর গড়েরঘাট রাজ্য সড়কের উপর নন্দনপুর এলাকায় ওই বেআইনি নির্মাণ চলছিল। পিলার দিয়ে তৈরি করা হয় একটি পাকা নির্মাণ। তার সামনে আবার টিন দিয়ে ছাউনি তৈরি করা হচ্ছিল। পূর্তদপ্তরের জায়গার উপর সেই নির্মাণ হয়। ঘটনা নজরে আসতেই এদিন বুলডোজার চালানো হয়। 
এদিন অবৈধ নির্মাণের ওই অংশ ভাঙার সময় বিধায়কের পাশাপাশি খানাকুল থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন উপস্থিত ছিল। জগৎপুর পঞ্চায়েত ও বিধায়কের যৌথ ব্যবস্থায় এদিন অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। বিধায়ক বলেন, মায়াপুর গড়েরঘাট রাস্তার ধারে নয়ানজুলি, খালের একাংশ দখল করে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের মদতে অসাধু কিছু ব্যক্তি এরকম বহু জায়গায় অবৈধ নির্মাণ করেছে। বিরোধী দলে থাকার সময় আমরা এনিয়ে একাধিকবার আন্দোলন করেছি। ডেপুটেশন দেওয়া হয় সরকারি দপ্তরে। কিন্তু, কোনো লাভ হয়নি। খানাকুল বন্যা প্রবণ এলাকা। বর্ষার সময় খাল, নয়ানজুলি দিয়ে জল নামার ক্ষেত্রে অসুবিধা হওয়ায় এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তারসঙ্গে বোরো চাষের সময় সেচের জল ঠিকমতো খালগুলি দিয়ে বইতে পারে না। তাতে সমস্যায় পড়েন চাষিরা। আমরা খালগুলি সংস্কার করতে চাই। তাই আমাদের সরকারের প্রথম লক্ষ্য অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ। নন্দনপুর এলাকায় নয়ানজুলির একাংশ বুজিয়ে দিয়ে বেআইনি নির্মাণ করা হচ্ছিল। পঞ্চায়েতের তরফে বলার পরেও বন্ধ করা যায়নি নির্মাণ। তাই এদিন বাধ্য হয়ে তা ভেঙে দেওয়া হয়। নতুন করে কেউ অবৈধ নির্মাণ করলে রেয়াত করা হবে না।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ