Bartaman Logo
২০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

মেক্সিকোর উপকূলে মিলল দৈত্যাকার মাছ! বিপর্যয়ের আশঙ্কায় কাঁটা বাসিন্দারা

মাছ দেখে ভয় মেক্সিকোতে! যে সে মাছ নয়। অতিকায় ফিতের মতো দেখতে। লম্বায় ৩৪ ফুট। গায়ের রং রূপালি। মুখের আদল অনেকটাই মেলে হাঙরের সঙ্গে। এই মাছ উপকূলে সচরাচর দেখাই যায় না। ২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে তছনছ হয়ে গিয়েছিল জাপানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

মেক্সিকোর উপকূলে মিলল দৈত্যাকার মাছ! বিপর্যয়ের আশঙ্কায় কাঁটা বাসিন্দারা
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
মেক্সিকো সিটি: মাছ দেখে ভয় মেক্সিকোতে! যে সে মাছ নয়। অতিকায় ফিতের মতো দেখতে। লম্বায় ৩৪ ফুট। গায়ের রং রূপালি। মুখের আদল অনেকটাই মেলে হাঙরের সঙ্গে। এই মাছ উপকূলে সচরাচর দেখাই যায় না। ২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে তছনছ হয়ে গিয়েছিল জাপানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এই বিপর্যয়ের আগে জাপানের উপকূলে দেখা গিয়েছিল তারপর থেকেই এই মাছের নাম ‘ডুমসডে ফিস’ বা প্রলয়ের মাছ। এমনিতে নাম ওর ফিস। সম্প্রতি এই মাছই দেখা গিয়েছে মেক্সিকোর উপকূলে। এতেই অশনি সঙ্কেত দেখছেন লাতিন আমেরিকার এই দেশের বাজা ক্যালিফোর্নিয়া সুরের বাসিন্দারা। তাহলে কি বড়সড় বিপর্যয় আসন্ন? এমন আশঙ্কাই কুরে কুরে খাচ্ছে স্থানীয়দের। 
Advertisement
সোশ্যাল মিডিয়ায় দৈত্যাকার মাছের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। আর তা নিয়ে নেটিজেনরা নানা ধরনের মন্তব্য করেছে। এক্স হ্যান্ডলে এমনই এক ইউজারের  প্রশ্ন, ‘সম্প্রতি মেক্সিকোর সৈকতে একাধিক ওর ফিসের সন্ধান মিলেছে। তাহলে কি ফের ধ্বংসলীলা আসন্ন?’ বিশেষজ্ঞরা অবশ্য পুরো বিষয়টিকে রজ্জুতে সর্পভ্রম হিসেবে দেখছেন। এই ঘটনায় উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলে তাঁরা আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এল নিনো ও লা নিনার কারণে মহাসাগরে জলের তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটছে। তাই বাধ্য হয়ে এই মাছ উপকূলে চলে আসছে। জলের তাপমাত্রা তো বটেই রোগ বা চোটের কারণেও মাছগুলি উপকূলে চলে আসতে পারে।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ