সংবাদদাতা, লালবাগ: মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী হল প্রশাসন। মঙ্গলবার সকাল থেকে মাঠের প্যান্ডেল ও সভামঞ্চ খোলার কাজ জোরকদমে শুরু হয়। সেইসঙ্গে মাঠ পরিষ্কার করাও শুরু হয়েছে।
Advertisement
এছাড়া, সোমবার বিকেল থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফেস্টুন, ব্যানার, কাটআউট প্রভৃতি খোলার কাজ শুরু হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শহর ও মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক উদ্যোগকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শহরের সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।
লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় বলেন, ওই মাঠে স্কুলের বিভিন্ন কর্মসূচি হয়। খুব তাড়াতাড়ি মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এজেন্সিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো এদিন সকাল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।
সোমবার মুর্শিদাবাদ শহরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক সভা হয়। হাজারদুয়ারি প্রাসাদ লাগোয়া নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের মাঠকে সভাস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে শহরকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ফেস্টুন, পোস্টারে মুড়ে ফেলা হয়। ওইদিনের সভায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩৫হাজার মানুষ এসেছিলেন।
শহরের এক ব্যবসায়ী বলেন, সাধারণত রাজনৈতিক দলের সভা বা কর্মসূচির পরও সভাস্থল অনেকদিন অপরিষ্কার থাকে। একসপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পরও বাঁশ, খুঁটি পোঁতাই থাকে। কিন্তু এখানে সেরকম হয়নি। মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের এক শিক্ষক বলেন, প্রশাসনের অতি তৎপরতার সঙ্গে মাঠ সাফাইয়ের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, দল ও পুরসভার তরফে যে ফেস্টুন, পোস্টার লাগানো হয়েছিল, তার ৮০ শতাংশ খুলে ফেলা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি বাকিগুলিও খুলে ফেলা হবে।
লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় বলেন, ওই মাঠে স্কুলের বিভিন্ন কর্মসূচি হয়। খুব তাড়াতাড়ি মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এজেন্সিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো এদিন সকাল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।
সোমবার মুর্শিদাবাদ শহরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক সভা হয়। হাজারদুয়ারি প্রাসাদ লাগোয়া নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের মাঠকে সভাস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে শহরকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ফেস্টুন, পোস্টারে মুড়ে ফেলা হয়। ওইদিনের সভায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩৫হাজার মানুষ এসেছিলেন।
শহরের এক ব্যবসায়ী বলেন, সাধারণত রাজনৈতিক দলের সভা বা কর্মসূচির পরও সভাস্থল অনেকদিন অপরিষ্কার থাকে। একসপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পরও বাঁশ, খুঁটি পোঁতাই থাকে। কিন্তু এখানে সেরকম হয়নি। মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নবাব বাহাদুর ইন্সটিটিউশনের এক শিক্ষক বলেন, প্রশাসনের অতি তৎপরতার সঙ্গে মাঠ সাফাইয়ের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, দল ও পুরসভার তরফে যে ফেস্টুন, পোস্টার লাগানো হয়েছিল, তার ৮০ শতাংশ খুলে ফেলা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি বাকিগুলিও খুলে ফেলা হবে।



