নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: আজ, সোমবার প্রশাসনিক সভার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতানেত্রীদের নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করতে পারেন। তৃণমূলের বহরমপুর ও জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার প্রায় ৫০ জন নেতা-নেত্রী সেখানে হাজির থাকবেন। দলের সাংগঠনিক চেয়ারম্যান, সভাপতি, বিধায়ক ও ব্লক সভাপতিরা ছাড়াও জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীরাও সেখানে হাজির থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এই বৈঠকের জন্য প্রশাসনিক সভামঞ্চের পিছনেই একটি ‘অ্যান্টি চেম্বার’ বানানো হয়েছে। সভা মঞ্চ থেকে নেমে সামান্য কিছুটা সময় বিরতি নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী ওই অ্যান্টি চেম্বারে ঢুকে দলীয় নেতৃত্বকে আগামীর পরিকল্পনা শোনাবেন। সাংগঠনিক ব্যাপারে নেত্রী কী বার্তা দেবেন, তা নিয়ে তঠস্থ রয়েছেন দুই সাংগঠনিক জেলার নেতারা। জেলার বেশ কিছু ব্লকে দলীয় সভাপতিদের সঙ্গে বিধায়কদের ব্যাপক গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। আগামী বছরই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই দ্বন্দ্বে রাশ টানতে নেত্রীর ভোকাল টনিক কাজ দেবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।
Advertisement
নেত্রীর সামনে ক্ষমতা জাহির করতে জেলার ২৬টি ব্লক থেকেই নেতারা এই সভায় বিপুল লোকসমাগমের চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিধায়করাও উঠে পড়ে লেগেছেন। লালবাগের মতো ঘিঞ্জি শহরে সুষ্ঠুভাবে যাতে মিছিল নিয়ে তৃণমূল কর্মীরা সভাস্থলে ঢুকতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করছে পুলিসও। বহরমপুর, রেজিনগর, শক্তিপুর, বেলডাঙা, কান্দি, ভরতপুর সালার ও খড়গ্রাম থেকে আসা ছোট বড় মাঝারি গাড়িগুলি কাটরা মসজিদের কাছে পার্কিং করবে। সেখান থেকে কর্মীরা হেঁটে সভাস্থলে পৌঁছবেন। সাগরপাড়ার রানিনগর থেকে আসা ছোট ও বড় গাড়িগুলি নাকুরতলা গ্রাউন্ডে রাখা হবে। সেখান থেকে হেঁটে কর্মীরা সভাস্থলে পৌঁছবেন। লালগোলা থেকে আগত গাড়িগুলি কুর্মিতলা অগ্রদূত ক্লাবের ময়দানে পার্কিং করবে। ভগবানগোলা ও জঙ্গিপুর থেকে যে সমস্ত গাড়ি আসবে তা কুর্মিতলা হাইস্কুল ময়দানে রাখা হবে। ওখান থেকেও কর্মীরা হেঁটে মিছিল করে সভাস্থলের দিকে এগবে। জিয়াগঞ্জ ও রানিতলা থেকে যে গাড়িগুলি কর্মী নিয়ে আসবে, সেগুলি নশিপুর আখড়া গ্রাউন্ড এবং নশিপুর নবাব বাগানে পার্কিং করবে। কর্মীরা যাতে সঠিক সময়ে সভায় পৌঁছতে পারে সেই জন্য সকাল থেকেই সভাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা নেতৃত্ব।
বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। আমাদের গৌরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাছে পেতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে জেলার বাসিন্দাদের সোমবার একটাই গন্তব্য হবে, সেটা নবাবি মুলুক। দিদির নির্দেশের জন্য আমরা সকলেই মুখিয়ে আছি। দিদি যা নির্দেশ দেবেন আগামীতে সেই নির্দেশ আমরা সকলে মেনে চলব। দিদির নির্দেশ ও আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য আমাদের সকল নেতৃত্ব এদিন হাজির থাকবে।
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান তথা রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, প্রশাসনিক সভা হলেও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা রয়েছে। গোটা লালবাগ শহর মানুষের ভিড়ে অবরুদ্ধ হয়ে যাবে। ট্রেন, বাস, ছোট গাড়ি, বাইকের পাশাপশি নৌকা করেও মানুষ ওই সভায় ঢুকবে। লালবাগ শহর খুব ঘিঞ্জি এলাকা। রাস্তায় যানজট হলে দূরে গাড়ি রেখে হেঁটে যেতে হতে পারে কিছুটা। দুপুর ১টায় সভা হলেও সকাল সকাল কর্মীদের বের হতে বলে দিয়েছি। সভার দায়িত্বে থাকা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তাদের সমস্ত সহযোগিতার জন্য কর্মীদের বলা হয়েছে।
বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। আমাদের গৌরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাছে পেতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে জেলার বাসিন্দাদের সোমবার একটাই গন্তব্য হবে, সেটা নবাবি মুলুক। দিদির নির্দেশের জন্য আমরা সকলেই মুখিয়ে আছি। দিদি যা নির্দেশ দেবেন আগামীতে সেই নির্দেশ আমরা সকলে মেনে চলব। দিদির নির্দেশ ও আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য আমাদের সকল নেতৃত্ব এদিন হাজির থাকবে।
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান তথা রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, প্রশাসনিক সভা হলেও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা রয়েছে। গোটা লালবাগ শহর মানুষের ভিড়ে অবরুদ্ধ হয়ে যাবে। ট্রেন, বাস, ছোট গাড়ি, বাইকের পাশাপশি নৌকা করেও মানুষ ওই সভায় ঢুকবে। লালবাগ শহর খুব ঘিঞ্জি এলাকা। রাস্তায় যানজট হলে দূরে গাড়ি রেখে হেঁটে যেতে হতে পারে কিছুটা। দুপুর ১টায় সভা হলেও সকাল সকাল কর্মীদের বের হতে বলে দিয়েছি। সভার দায়িত্বে থাকা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তাদের সমস্ত সহযোগিতার জন্য কর্মীদের বলা হয়েছে।



