নয়াদিল্লি: অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিশোদিয়ার মতো প্রথম সারির নেতা তো বটেই। তার সঙ্গে সোমনাথ ভারতী, সৌরভ ভরদ্বাজ, দুর্গেশ পাঠক বা সত্যেন্দ্র জৈনের মতো আম আদমি পার্টির তাবড় মুখ। রাজধানীর সিংহাসন দখলের লড়াইয়ে গেরুয়া ঝড়ে তাঁরা সকলেই ধরাশায়ী। মুখ রক্ষা করেছেন দুই নেতা— বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী আতিশী এবং গোপাল রাই।
Advertisement
বিজেপির এই বিপুল জয়ের পর এবার প্রশ্ন কে হবেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তালিকায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন। সবচেয়ে উপরে যাঁর নাম, তিনি পরবেশ ভার্মা। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাহিব সিং বার্মার ছেলে। অবশ্য সেটাই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়। পশ্চিম দিল্লি থেকে তিনি দু’বারের বিজয়ী সাংসদ। এবারের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাননি। প্রথম এগারোর বাইরে থাকা সেই পরবেশকেই কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছিল বিজেপি। বেশিদিন সময়ও পাননি। তার মধ্যেই সংগঠন চাঙ্গা করেছেন এই বিতর্কিত কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতা। কোনও সন্দেহ নেই তিনি ম্যান অব দি ম্যাচ।। আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়ালকে হারানো জায়ান্ট কিলার পরবেশ মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রধান দাবিদার।
তালিকার উপরদিকেই রয়েছেন, রাজ্য সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব। ২০২৩ সালে তিনি ওই পদে বসেন। এই বিপুল জয়ের পিছনে সচদেবের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতা হারালেও ফের যে দল রাজধানীতে ক্ষমতায় ফিরবেন, তা সবসময় জোর গলায় বলতেন সচদেব। মুখ্যমন্ত্রী পদের তিনিও দাবিদার। তবে বিধানসভা ভোটে প্রার্থী না হওয়া আরও দুই নেতার একজনকেও বেছে নিতে পারে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর মধ্যে প্রথমেই বলতে হয় সাংসদ মনোজ তিওয়ারির কথা। গত লোকসভা ভোটে একমাত্র এই অভিনেতা-সাংসদকে পুনরায় টিকিট দিয়েছিল দল। পূর্বাঞ্চলীয় ভোটারদের মধ্যে মনোজের জনপ্রিয়তা খুবই বেশি। দিল্লি বিজেপির তিনি অন্যতম মুখ। আর একজনও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসতে পারেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রয়াত নেত্রী সুষমা স্বরাজের কন্য বাঁশুরি। মীনাক্ষি লেখির মতো নেত্রীর জায়গায় তাঁকে এবার টিকিট দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা ভোটে জিতে দলের মানও রেখেছেন। এবার প্রচারে সামনের সারিতে ছিলেন বিজেপির আইন সেলের এই নেত্রী। তাঁকে দায়িত্ব দিয়ে চমক দিতে পারে বিজেপি। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে দু’বারের আপ বিধায়ককে হারিয়ে চমক দিয়েছেন বিজেপির হরিশ খুরানা। তিনি প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী মদনলাল খুরানার ছেলে। নাম ভাসছে তাঁরও।
তালিকার উপরদিকেই রয়েছেন, রাজ্য সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব। ২০২৩ সালে তিনি ওই পদে বসেন। এই বিপুল জয়ের পিছনে সচদেবের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতা হারালেও ফের যে দল রাজধানীতে ক্ষমতায় ফিরবেন, তা সবসময় জোর গলায় বলতেন সচদেব। মুখ্যমন্ত্রী পদের তিনিও দাবিদার। তবে বিধানসভা ভোটে প্রার্থী না হওয়া আরও দুই নেতার একজনকেও বেছে নিতে পারে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর মধ্যে প্রথমেই বলতে হয় সাংসদ মনোজ তিওয়ারির কথা। গত লোকসভা ভোটে একমাত্র এই অভিনেতা-সাংসদকে পুনরায় টিকিট দিয়েছিল দল। পূর্বাঞ্চলীয় ভোটারদের মধ্যে মনোজের জনপ্রিয়তা খুবই বেশি। দিল্লি বিজেপির তিনি অন্যতম মুখ। আর একজনও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসতে পারেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রয়াত নেত্রী সুষমা স্বরাজের কন্য বাঁশুরি। মীনাক্ষি লেখির মতো নেত্রীর জায়গায় তাঁকে এবার টিকিট দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা ভোটে জিতে দলের মানও রেখেছেন। এবার প্রচারে সামনের সারিতে ছিলেন বিজেপির আইন সেলের এই নেত্রী। তাঁকে দায়িত্ব দিয়ে চমক দিতে পারে বিজেপি। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে দু’বারের আপ বিধায়ককে হারিয়ে চমক দিয়েছেন বিজেপির হরিশ খুরানা। তিনি প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী মদনলাল খুরানার ছেলে। নাম ভাসছে তাঁরও।



