সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: সাতদিন আগে ধনেখালি থেকে নিখোঁজ হওয়া যুবকের দেহ মিলল দাদপুরে। মৃত যুবকের নাম সূর্যকান্ত মাঝি (১৯)।
সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: সাতদিন আগে ধনেখালি থেকে নিখোঁজ হওয়া যুবকের দেহ মিলল দাদপুরে। মৃত যুবকের নাম সূর্যকান্ত মাঝি (১৯)।
ত্রিকোণ প্রেমে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এই ঘটনায় যুবকের প্রেমিকা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দাদপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম রাহুল ধারা, সুমনা কোটাল ও গোবিন্দ খাঁ। রাহুল ও সুমনার বাড়ি দাদপুর থানার মাকালপুর এলাকায়। গোবিন্দর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল খেলার দিন বাড়িতে রাহুল ধারা নামে এক বন্ধুর সঙ্গে মাছ, মাংস ও মাদক সেবন করেন সূর্যকান্ত। রাতে রাহুলকে এগিয়ে দিতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। তাঁর ওই বন্ধু সূর্যকান্তের পরিবারের সদস্যদের জানান, সূর্যকান্ত দাদপুর থানার মাকালপুর এলাকায় একটি জলাশয়ে নেমে আর ওঠেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ জুলাই থানায় একটি মিসিং ডাইরি করা হয়। ২১ জুলাই ডুবুরি আসে ঘটনাস্থলে। পরেরদিন কুকুর এনে এলাকায় খোঁজ চালায় পুলিশ। এরপর থেকে পুলিশি নজরদারিতে ছিল ওই এলাকা। এদিকে, মৃত যুবকের বাবা মুকুল মাঝি জানান, প্রায় আট মাস আগে সুমনা কোটাল নামে একটি মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সুমনা যে কারখানায় কাজ করেন, সেখানেই গোবিন্দ খাঁ নামে আরেকটি ছেলের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক তৈরি হয়। এই সুমনা, গোবিন্দ ও রাহুল মিলে আমার ছেলেকে খুন করেছেন।
শনিবার সাতদিন পর ওই জলাশয় থেকে সূর্যকান্তর দেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সুমনা, গোবিন্দ ও রাহুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রেমের কাঁটা সরাতেই এই খুনের ঘটনা বলে ধৃতরা জানিয়েছে।