Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সরকারি টাকা তছরুপ! প্রাক্তন কাউন্সিলারদের নামে এফআইআরের নির্দেশ শংকর ঘোষের

সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের (এসডব্লুএম) নামে টাকা তুলে নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জমা করেছেন শিলিগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন কয়েকজন কাউন্সিলার।

সরকারি টাকা তছরুপ! প্রাক্তন কাউন্সিলারদের নামে এফআইআরের নির্দেশ শংকর ঘোষের
  • ১১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের (এসডব্লুএম) নামে টাকা তুলে নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জমা করেছেন শিলিগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন কয়েকজন কাউন্সিলার। সোমবার শিলিগুড়িতে তৃণমূল পরিচালিত বিগত পুরবোর্ডের একাংশ কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলেন পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। তিনি এব্যাপারে প্রাক্তন কাউন্সিলারদের কাছে নোটিস পাঠানো এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ পুর কমিশনার বীরবিক্রম রাইকে দিয়েছেন। যদিও পুরসভার জঞ্জাল সাফাই বিভাগের প্রাক্তন মেয়র পরিষদ সদস্য তৃণমূলের মানিক দে এই অভিযোগ মানতে নারাজ।

Advertisement

শিলিগুড়ি শহরে জঞ্জাল সাফাইয়ের নামে বাড়ি ও দোকান থেকে টাকা তুলত গত পুরবোর্ড। এবার সেই অর্থের ব্যবহার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এদিন শহরে একটি অনুষ্ঠানে পর্যটমন্ত্রী বলেন, পুরসভার একাংশ প্রাক্তন কাউন্সিলার এসডব্লুএমের নামে টাকা তুলে নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভরেছেন। টাকা তোলার সেই রসিদ, ব্যাংকের পাস বই কিছুই তাঁরা এখনও পুরসভায় জমা দেননি। পুর কমিশনারের কাছ থেকে বিষয়টি জেনেছি। এজন্য প্রাক্তন কাউন্সিলারদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছি পুর কমিশনারকে। অভিযুক্তরা হিসাব জমা না দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজন পড়লে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করতে হবে।
তৃণমূল জমানায় এসডব্লুএম প্রকল্প ছিল পুরসভার জঞ্জাল সাফাই বিভাগের অধীনে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রাক্তন মেয়র পরিষদ সদস্য মানিক দে বলেন, এসডব্লুএমের টাকা কোনো কাউন্সিলার নিজের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারেন না। এসডব্লুএমের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রতিটি ওয়ার্ডে খোলা হয়েছে। তাতে কাউন্সিলার, বোরো অফিসার এবং ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকে। রাজ্য সরকার যেদিন পুরবোর্ড ভেঙে দিল, ঠিক তারপরেই বোরো অফিসে গিয়ে আমার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের এসডব্লুএমের অ্যাকাউন্টের পাশবই, চেকবই, আসবাবপত্র সহ সমস্ত হিসেব বুঝিয়ে দিয়েছি। যাঁরা সেই হিসেব দেননি, তাঁরা বুঝবেন।
পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে হেরে যেতে পারেন। আবার কোনো জনপ্রতিনিধি স্বেচ্ছায় পদ থেকে সরে যেতে পারেন। তা সত্ত্বেও প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিদেরকে সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছ থেকে ‘নো ডিউস সার্টিফিকেট’ নিতে হয়। এটা সবার মানা উচিত। • কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের পার্কিং স্পট পরিদর্শনে মন্ত্রী। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ