Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বনগাঁয় নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু প্রেমিকের বাড়ি ভাঙচুর ৭ পুলিশকর্মী জখম

বনগাঁয় নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর প্রেমিকের বাড়িতে ভাঙচুর। সাত পুলিশকর্মী জখম, পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। বিস্তারিত পড়ুন।

বনগাঁয় নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু প্রেমিকের বাড়ি ভাঙচুর  ৭ পুলিশকর্মী জখম
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: নাবালিকার আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল গোপালনগর থানার গোপীনাথপুরে। একাধিক বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চলে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বাড়িতে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় সাতজন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন।

Advertisement

দিন কয়েক আগে নাবালিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবালিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিল তাঁর প্রেমিক। প্রেমিক আজমির মণ্ডল ওরফে নূর আজমিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে জেল হেপাজতে অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার গোপীনাথপুরে স্মরণসভার ডাক দিয়েছিল একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। এদিন দুপুরে সভা শুরুর আগে এলাকায় অশান্তি শুরু হয়। স্থানীয়রা হঠাৎই অভিযুক্ত প্রেমিকের বাড়িতে চড়াও হন। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় তিনটি বাড়ি ও দুটি দোকান। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ পুলিশকে মারধর করা হয়। সাতজন পুলিশকর্মী জখম হন। দুই পুলিশকর্মীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ভাঙচুর ও পুলিশকে আক্রমণের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক বছর ধরে যুবকের সঙ্গে নাবালিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের দাবি, নাবালিকা এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। সম্পর্ক বজায় রাখতে চাপ দিচ্ছিল যুবক। স্থানীয়দের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়ায় অশান্তির কারণে আত্মঘাতী হয়েছে নাবালিকা। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন বাসিন্দারা। এদিন সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক স্বপন মজুমদার বলেন, আইন হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। পুলিশ বিষয়টি দেখছে।
এদিকে, ধর্ম গোপন করে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার অপরাধে গ্রেপ্তার হলেন এক যুবক। টিটাগড়ের বাসিন্দা নিজেকে রাহুল শেঠ পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করে। আধার কার্ডও ছিল রাহুল শেঠ নামে। কয়েকদিনের মধ্যেই তরুণী জানতে পারে, স্বামী হিন্দু নয়, মুসলমান। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর পরিবার। বুধবার রাতে তরুণীকে নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা টিটাগড় থানায় বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ পেয়ে রাহুল ওরফ ফারহান খানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে বৃহস্পতিবার বারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ