Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহাত্মা গান্ধী রোড থেকে মতিলাল গুপ্ত পর্যন্ত নতুন চওড়া রাস্তা হচ্ছে

মহাত্মা গান্ধী রোড থেকে মতিলাল গুপ্ত পর্যন্ত নতুন চওড়া রাস্তা হচ্ছে
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় মজে গিয়েছিল খাল। খালের একাংশ দখলও হয়ে গিয়েছিল। একটু বৃষ্টিতেই জল জমতো রাস্তায়। ইতিমধ্যেই ঠাকুরপুকুরে সেই অবলুপ্ত হয়ে পড়া চড়িয়াল খালের একাংশ বুজিয়ে বৃহৎ নিকাশি পাইপলাইন বসানো হয়েছে। তৈরি হয়েছে নিকাশি পাম্পিং স্টেশনও। সেখানে তার উপর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্রশস্ত রাস্তা। বেহালায় মহাত্মা গান্ধী রোড থেকে মতিলাল গুপ্ত রোড পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার (৩ কিমি ৩৩০ মিটার) নতুন চওড়া রাস্তা বানানো হচ্ছে। খরচ ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার বেশি। তৈরি হয়ে গেলে বড়িশা থেকে সেই রাস্তা ধরে সহজেই ঠাকুরপুকুর আসা যাবে। চলে যাওয়া যাবে জোকাতেও।  ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার হাসপাতালকে ডান হাতে রেখে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে জোকার দিকে যেতেই পড়বে চড়িয়াল খাল। ডানদিক বরাবর যার কানেক্টর (একাংশ) চলে গিয়েছে মতিলাল গুপ্ত রোডের দিকে। কিন্তু, সেই খাল প্রায় বুজে গিয়েছিল। জল নিকাশি ঠিক মতো হতো না। তাই, অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়া সেই খাল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কলকাতা পুরসভার আওতাধীন কেইআইআইপি প্রকল্পের আওতায় সেখানে বসানো হয়েছে ভূগর্ভস্থ বৃহৎ পাইপলাইন। মহাত্মা গান্ধী রোড এবং চড়িয়াল খালের সংযোগস্থলে তৈরি হয়েছে নতুন নিকাশি পাম্পিং স্টেশনও। সেখান থেকে সোজা মতিলাল গুপ্ত রোড পর্যন্ত খাল পাড়ে থাকা সরু রাস্তার বদলে গোটা এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে প্রায় ২৫ ফুট চওড়া পথ। স্থানীয় বাসিন্দা অমল চক্রবর্তীর কথায়, খালটার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। রাস্তাও ছিল অপ্রশস্ত। প্রচণ্ড জল জমে এখানে। সেই সমস্যা আশা করছি মিটবে। রাস্তা চওড়া করার কাজ চলছে। এলাকায় একটা নতুন রাস্তা হবে। এখান থেকে হেঁটে, সাইকেলে কিংবা ছোট গাড়িতে মতিলাল গুপ্ত রোড পর্যন্ত যাওয়া যেত। রাস্তা চওড়া হয়ে গেলে অটো বা বড় গাড়ি অনায়াসেই চলে যাবে। নতুন বাস রুটও চালু হতে পারে। পুরসভা সড়ক বিভাগ জানাচ্ছে, সেখানে ভূগর্ভস্থ জলের পাইপলাইন বসানোর কাজ হবে। তারপর তৈরি হবে গোটা রাস্তা। হবে ফুটপাত। বসানো হবে বাতিস্তম্ভ। রাস্তার ধারে সুবজায়ন হবে। তৈরি হবে পার্ক। স্থানীয় ১৬ নম্বর বরো চেয়ারম্যান সুদীপ পোল্লে বলেন, ১২৩ এবং ১২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারাই শুধু উপকৃত হবেন না। এই পথে এরপর বাস-অটো রুটও যদি চালু হয়ে যায়, তখন মানুষের যাতায়াতও আর সুগম হবে। জমা জলের সমস্যাও পুরোপুরি মিটে যাবে।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ