সংবাদদাতা, হলদিয়া: মহিষাদলের গড়কমলপুর কৃষি সমবায় উন্নয়ন সমিতির পরিচালন কমিটির নির্বাচনে বিজেপি মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সমবায়ের ১২টি আসনেই জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত প্রার্থীরা। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি ওই সমবায়ের নির্বাচন ছিল। ১২টি আসনের জন্য তৃণমূল এবং বিজেপি দু’দলের ১৩ জন করে প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওইদিন বিজেপির সমস্ত প্রার্থী ও তৃণমূলের একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। শুক্রবার ক্রুটিনির পর নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেন। প্রায় ৬০ বছরের পুরনো মহিষাদলের গড়কমলপুর সমবায়। নির্বাচনে প্রার্থী পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্থানীয় মণ্ডল কমিটির সদস্য শ্যামল সিংহ সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতা-কর্মী। তাঁরা সকলেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মহিষাদল ব্লকে ১১টির মধ্যে ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এখন বিজেপির দখলে। এভাবে লড়াইয়ের ময়দান শাসক দলকে ছেড়ে দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
বিজেপি নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই সমবায় অর্থাভাবে ধুঁকছে। নির্বাচন করতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হবে। কর্মীদের বেতনই দিতে পারছে না সমবায়। তাই সমবায় বাঁচাতে দলের সিদ্ধান্তে সমস্ত প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এখানে হারজিতের চেয়ে সমবায় বাঁচানোই বড় কথা।
তবে বিজেপি নেতার এই যুক্তি মানতে নারাজ তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মহিষাদলে বিজেপির মধ্যে কোন্দল শুরু হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাহার তারই বহিঃপ্রকাশ। সমবায় বাঁচানোর যদি ইচ্ছে, তাহলে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন কেন? রাজ্য নেতা হারতে পারেন সেই ভয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তবে বিজেপি নেতার এই যুক্তি মানতে নারাজ তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মহিষাদলে বিজেপির মধ্যে কোন্দল শুরু হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাহার তারই বহিঃপ্রকাশ। সমবায় বাঁচানোর যদি ইচ্ছে, তাহলে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন কেন? রাজ্য নেতা হারতে পারেন সেই ভয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন।



