নয়াদিল্লি, ২ ডিসেম্বর: ফল প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে একটা গোটা সপ্তাহ। গত ২৬ নভেম্বর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্র বিধানসভারও। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক হল না! এদিকে, ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী ৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে হবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এই আবহে গতকাল, রবিবার বিজেপির এক শীর্ষস্থানীয় নেতা রাওসাহেব দানবের দাবি, মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশই।
Advertisement
সংবাদসংস্থা পিটিআইকে উদ্ধৃত করে দানবে জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্রে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফড়নবিশের নামই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে তা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের শিলমোহরের অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধে বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে মোদি এবং অমিত শাহের সিদ্ধান্তকেই স্বাগত জানাবেন তিনি। তবে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে কান পাতলে এমনও জল্পনা শোনা যাচ্ছে যে, সিন্ধেকে হয়তো উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হতে পারে। আবার এটিও শোনা গিয়েছিল, মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন সিন্ধে পুত্র শ্রীকান্ত। যদিও সোমবার এই জল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছন শ্রীকান্ত স্বয়ং।
মুখ্যমন্ত্রী পদ ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলির দাবি নিয়ে মহাযুতির টানাপোড়েন এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। শরিক এনসিপির নেতা অজিত পাওয়ার তো স্পষ্ট করেই দিয়েছেন যে, “মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজেপি থেকেই। বাকি দুই শরিক দলকে দেওয়া হবে উপ মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার। দিল্লির বৈঠকেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে। যদিও সরকার গঠনে এমন দেরি কিন্তু এই প্রথম নয়। ১৯৯৯ সালে এব্যাপারে একমাস সময় লেগেছিল।” মুখ্যমন্ত্রী পদে বিজেপি নেতা ফড়নবিশের দিকেই সমর্থন রয়েছে অজিতের। বদলে শুধু উপ মুখ্যমন্ত্রী নয়, তিনি পেতে পারেন অর্থ দপ্তরও। এমন জল্পনা চরমে। কিন্তু মন্ত্রিত্বের সেই ভাগ বাটোয়ারাতেও বিজেপির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন একনাথ সিন্ধে। সম্প্রতি গোঁসা করে এই শিবসেনা নেতা চলে গিয়েছেন সাতারায় গ্রামের বাড়িতে। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক পর্যন্ত বাতিল করতে হয়েছে। যদিও বিড়ম্বনা ঢাকতে শিবসেনা নেতা তথা বিদায়ী সরকারের মন্ত্রী বিজয় সামন্তের দাবি, সিন্ধে হতাশ নন। তাঁর শরীর ঠিক নেই। বাতিল হওয়া বৈঠক শীঘ্রই হবে। সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আলোচনায় যোগ দেবেন তিনি। কিন্তু রফাসূত্র কবে বেরবে? এ ব্যাপারে কিন্তু নিরুত্তর মহাযুতির তিন শরিক দলই।
মহারাষ্ট্রে ২৮৮ টি বিধানসভার মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২টি। তার উপর অজিত পাওয়ারের সমর্থনও পাকা। তাহলে আটকাচ্ছে কোথায়? অন্দরের খবর, সিন্ধের দাবি-দাওয়ায় নাকানিচোবানি খেতে হচ্ছে মোদি-শাহের দলকে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পদ হাতছাড়া হলেও একযোগে উপ মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর দলের হাতে রাখতে চান তিনি। কিন্তু স্বরাষ্ট্র সহ হেভিওয়েট বিভাগগুলি শিবসেনাকে ছাড়তে নারাজ বিজেপি। আর তাতেই হতাশ সিন্ধে। তবে ফড়নবিশ, সিন্ধে ও অজিত পাওয়ারের মধ্যে আরও একটি বৈঠক হবে। সেখানেই মন্ত্রিত্ব ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। তার ঠিক আগেই রবিবার দানবের এই দাবি ঘিরে বেড়েছে জল্পনা।
মুখ্যমন্ত্রী পদ ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলির দাবি নিয়ে মহাযুতির টানাপোড়েন এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। শরিক এনসিপির নেতা অজিত পাওয়ার তো স্পষ্ট করেই দিয়েছেন যে, “মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজেপি থেকেই। বাকি দুই শরিক দলকে দেওয়া হবে উপ মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার। দিল্লির বৈঠকেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে। যদিও সরকার গঠনে এমন দেরি কিন্তু এই প্রথম নয়। ১৯৯৯ সালে এব্যাপারে একমাস সময় লেগেছিল।” মুখ্যমন্ত্রী পদে বিজেপি নেতা ফড়নবিশের দিকেই সমর্থন রয়েছে অজিতের। বদলে শুধু উপ মুখ্যমন্ত্রী নয়, তিনি পেতে পারেন অর্থ দপ্তরও। এমন জল্পনা চরমে। কিন্তু মন্ত্রিত্বের সেই ভাগ বাটোয়ারাতেও বিজেপির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন একনাথ সিন্ধে। সম্প্রতি গোঁসা করে এই শিবসেনা নেতা চলে গিয়েছেন সাতারায় গ্রামের বাড়িতে। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক পর্যন্ত বাতিল করতে হয়েছে। যদিও বিড়ম্বনা ঢাকতে শিবসেনা নেতা তথা বিদায়ী সরকারের মন্ত্রী বিজয় সামন্তের দাবি, সিন্ধে হতাশ নন। তাঁর শরীর ঠিক নেই। বাতিল হওয়া বৈঠক শীঘ্রই হবে। সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আলোচনায় যোগ দেবেন তিনি। কিন্তু রফাসূত্র কবে বেরবে? এ ব্যাপারে কিন্তু নিরুত্তর মহাযুতির তিন শরিক দলই।
মহারাষ্ট্রে ২৮৮ টি বিধানসভার মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২টি। তার উপর অজিত পাওয়ারের সমর্থনও পাকা। তাহলে আটকাচ্ছে কোথায়? অন্দরের খবর, সিন্ধের দাবি-দাওয়ায় নাকানিচোবানি খেতে হচ্ছে মোদি-শাহের দলকে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পদ হাতছাড়া হলেও একযোগে উপ মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর দলের হাতে রাখতে চান তিনি। কিন্তু স্বরাষ্ট্র সহ হেভিওয়েট বিভাগগুলি শিবসেনাকে ছাড়তে নারাজ বিজেপি। আর তাতেই হতাশ সিন্ধে। তবে ফড়নবিশ, সিন্ধে ও অজিত পাওয়ারের মধ্যে আরও একটি বৈঠক হবে। সেখানেই মন্ত্রিত্ব ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। তার ঠিক আগেই রবিবার দানবের এই দাবি ঘিরে বেড়েছে জল্পনা।



