Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

মহারাষ্ট্রে মহিলা বিধায়ক মাত্র ২১, ঝাড়খণ্ডে রেকর্ড গড়ে ১২

মহারাষ্ট্রে মহিলা বিধায়ক মাত্র ২১, ঝাড়খণ্ডে রেকর্ড গড়ে ১২
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
মুম্বই: মহারাষ্ট্রে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি, একনাথ সিন্ধের শিবসেনা এবং অজিত পাওয়ারের এনসিপি। রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, ‘লেড়কি বহেন’ প্রকল্পই মহারাষ্ট্রে গেম চেঞ্জারের ভূমিকা পালন করেছে। লোকসভা ভোটের পতনের পর সোজা কথায় মহিলাদের ভোটই এবার ক্ষমতায় ফিরিয়েছে মহাযুতি জোটকে। কিন্তু মহিলা বিধায়কের সংখ্যা কি বাড়ল? উত্তর না। উল্টে মহিলাদের বিধায়কের সংখ্যা এবার কিছুটা কমেছে। ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্রে এবার সেই সংখ্যা কমে হয়েছে ২১। অথচ ২০১৯ সালে জয়ী হয়েছিলেন ২৩ জন মহিলা। এবার জয়ী মহিলাদের মধ্যে ১৪ জনই বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন। এদের ১০ জন পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে একনাথ সিন্ধের শিবসেনা থেকে লড়ে জয়ী হয়েছেন দু’জন। অথচ সিন্ধের দাবি, এই লেড়কি বহেন প্রকল্প তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত। অজিত পাওয়ারের এনসিপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন চারজন মহিলা প্রার্থী। বিরোধী শিবিরের অবস্থা আরও খারাপ। মাত্র একজন মহিলা প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ধারাভি আসন থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছেন জ্যোতি গায়কোয়াড়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এবার মহারাষ্ট্র ভোটে মোট প্রার্থী সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৭৭১ জন পুরুষ এবং মাত্র ৩৬৩ জন মহিলা প্রার্থী ছিলেন। 
Advertisement
অপরদিকে, ঝাড়খণ্ড মহিলাদের মান রেখেছে। এই রাজ্যেও ভোটে মহিলাদের বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া প্রকল্প ‘মাইয়া যোজনা’ ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, মহিলারা এবার ঢেলে ভোট দিয়েছেন জেএমএম নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটকে। এর মর্যাদাও অবশ্য মিলেছে। বিধানসভার ৮১ আসনের মধ্যে ১২টি আসনে জয়ী হয়েছেন মহিলারা। রাজ্যের ইতিহাসে প্রথম এত সংখ্যক মহিলা প্রার্থী জয় পেলেন। এবার কংগ্রেসের পাঁচ, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তিন এবং বিজেপি থেকে চারজন জয়ী হয়েছেন। ২০১৯ সালের ভোটে  ১০ জন এবং ২০১৪ সালে জয়ী হয়েছিলেন ৯ জন মহিলা। এছাড়া ২০০৯ সালে ৮ এবং ২০০৫ সালে তিনজন মহিলা প্রার্থী জিতেছিলেন। 
সম্পর্কিত সংবাদ