পুনে: কয়েকদিন পরেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোট। নির্বাচনের আগে মহিলা ভোটারদের মন জয়ে চেষ্টার ত্রুটি রাখতে চাইছে না রাজনৈতিক দলগুলি। শাসক মহাযুতি জোট হোক বা বিরোধী মহা বিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ)। মহিলাদের আর্থিক সাহায্য থেকে শুরু করে নারী ক্ষমতায়নের কথা শোনা যাচ্ছে সবার মুখে। বাংলার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর আদলে ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে ‘লাডলি বহিন’ প্রকল্প। অথচ ভোটের ময়দানে মহিলা প্রার্থীদের সংখ্যা পুরুষদের তুলনায় খুবই কম। রাজ্যের ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কমপক্ষে ৯৭টি আসনে কোনও মহিলা প্রার্থী নেই। অর্থাৎ রাজ্যের এক তৃতীয়াংশ কেন্দ্রে কোনও মহিলা প্রার্থী নেই। তথ্য বলছে, রাজ্যজুড়ে মাত্র ২৯ জন মহিলাকে প্রার্থী করেছে বিরোধী জোট মহা বিকাশ আঘাড়ি। অন্যদিকে, শাসক মহাযুতি জোট সুযোগ দিয়েছে ২৬ জন মহিলাকে। এছাড়াও লড়াইয়ে রয়েছেন নির্দল ও বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির মতো তুলনামুলক ছোট রাজনৈতিক দলের মহিলা প্রার্থীরা।
Advertisement
মহিলা প্রার্থীর সংখ্যার নিরিখে সবথেকে ভালো জায়গায় রয়েছে পুনের পার্বতী। এই কেন্দ্রে লড়াই করবেন সাতজন মহিলা। তবে টক্কর হবে মূলত দু’জনের মধ্যে। মহা বিকাশ আঘাড়ির অশ্বিনী জগতাপ এবং মহাযুতি জোটের মাধুরী মিসাল। গত তিনটি নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন মাধুরী। এবার তাঁর জয়রথ আটকাতে মরিয়া অশ্বিনী। পূর্ব আওরঙ্গাবাদ কেন্দ্রে ভোটের লড়াইয়ে শামিল থাকবেন ছ’জন মহিলা প্রার্থী। জলগাঁও, নাগপুর দক্ষিণ, দেওলালি ও কুরলায় মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা পাঁচ। মহিলাদের ভোটে প্রার্থী করা হলেও সংখ্যাটা যে যথেষ্ট নয়, তা মেনে নিয়েছে বিরোধী ও ক্ষমতাসীন উভয় শিবিরই।
এর জন্য অবশ্য কেন্দ্রের গড়িমসিকেই দায়ী করেছেন প্রবীন এনসিপি (শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী) নেত্রী বন্দনা চ্যবন। গত বছরেই লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে এক তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আইন পাশ হয়েছিল সংসদে। তবে আসন পুনর্বিন্যাস সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর করা সম্ভব নয়। এবিষয় পলিটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস ব্যুরোর সদস্য চন্দ্রকান্ত ভুজবল বলেন, ‘সাধারণত দেখা যায়, পরিবারের মহিলা সদস্যদের প্রার্থী করে রাজনৈতিক দলগুলি। মহিলা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন থাকা উচিত।’
এর জন্য অবশ্য কেন্দ্রের গড়িমসিকেই দায়ী করেছেন প্রবীন এনসিপি (শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী) নেত্রী বন্দনা চ্যবন। গত বছরেই লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে এক তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আইন পাশ হয়েছিল সংসদে। তবে আসন পুনর্বিন্যাস সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর করা সম্ভব নয়। এবিষয় পলিটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস ব্যুরোর সদস্য চন্দ্রকান্ত ভুজবল বলেন, ‘সাধারণত দেখা যায়, পরিবারের মহিলা সদস্যদের প্রার্থী করে রাজনৈতিক দলগুলি। মহিলা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন থাকা উচিত।’



