সংবাদদাতা বেলদা: মোহনপুর এলাকায় তিনটি গ্রামে তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় জখম হয়েছেন চারজন তৃণমূল কর্মী। এনিয়ে মোহনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মোহনপুর থানার অন্তর্গত আঁতলা, শ্রীচন্দনপুর ও বড়সাহাপুর এলাকায় ঘটেছে এই মারধরের ঘটনা। অভিযোগ গ্রামে ঢুকে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতকারী ওই এলাকার তৃণমূল কর্মীদের মারধর করে ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
Advertisement
বিষয়টি নিয়ে এলাকারই তৃণমূল কর্মী কমরুল মল্লিক মোহনপুর থানায় ই-মেলের মাধ্যমে দলের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল কর্মী ইকবাল খাঁর নেতৃত্বে তাঁর পরিবার পরিজন সহ অন্যান্যদের উপরে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক মাইতির নেতৃত্বে এলাকার পুরনো তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।
এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য খলিল মল্লিক বলেন ২০১৯ সালের পর থেকে আমি সহ একাধিক তৃণমূল কর্মী এলাকা ছাড়া। বর্তমান ব্লক তৃণমূল সভাপতি নেতৃত্বে আমাদের এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। আর তারাই বারবার হামলা চালাচ্ছে। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানিয়েছি। বেলদা মহকুমা পুলিস আধিকারিককের কাছে ঘটনার তদন্তের জন্য অনুরোধ করেছি। এবিষয়ে ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক মাইতি বলেন বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে মোহনপুর এলাকায় কোনও অশান্তির খবর নেই। আগে যেভাবে আঁতলা এলাকায় সন্ত্রাসের খবর পাওয়া যেত এখন তা আর পাওয়া যায় না। যদি কোনও অশান্তি হয় পুলিস তার ব্যবস্থা নেবে। তবে বিধায়ক নিজে মোহনপুর এলাকায় না এসে দাঁতনে বসে বিবৃতি দিচ্ছেন তা ঠিক নয়। তিনি এলাকায় এসে খোঁজ নিলেই সবকিছু জানতে পারবেন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।
এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য খলিল মল্লিক বলেন ২০১৯ সালের পর থেকে আমি সহ একাধিক তৃণমূল কর্মী এলাকা ছাড়া। বর্তমান ব্লক তৃণমূল সভাপতি নেতৃত্বে আমাদের এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। আর তারাই বারবার হামলা চালাচ্ছে। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানিয়েছি। বেলদা মহকুমা পুলিস আধিকারিককের কাছে ঘটনার তদন্তের জন্য অনুরোধ করেছি। এবিষয়ে ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক মাইতি বলেন বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে মোহনপুর এলাকায় কোনও অশান্তির খবর নেই। আগে যেভাবে আঁতলা এলাকায় সন্ত্রাসের খবর পাওয়া যেত এখন তা আর পাওয়া যায় না। যদি কোনও অশান্তি হয় পুলিস তার ব্যবস্থা নেবে। তবে বিধায়ক নিজে মোহনপুর এলাকায় না এসে দাঁতনে বসে বিবৃতি দিচ্ছেন তা ঠিক নয়। তিনি এলাকায় এসে খোঁজ নিলেই সবকিছু জানতে পারবেন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।



