সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কনকনে শীতের রাতে চলছিল গোরু পাচার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ১৪টি গোরু আটক করল মাড়গ্রাম পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভিন জেলার তিন পাচারকারীকে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি পিকআপ ভ্যান। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, বিচারক তিনজনেরই ১৪ দিন জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
Advertisement
আগে ঝাড়খণ্ড থেকে লরিতে চাপিয়ে বা পায়ে হাঁটিয়ে এ রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে গোরু পাচার হতো বাংলাদেশে। কিন্তু সিবিআইয়ের তৎপরতা বাড়তেই সক্রিয় হয়েছে পুলিস। ধরা পড়ছে গোরু বোঝাই লরি ও গোরুর পাল। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজন পাচারকারীকে। তারপরও গোরু পাচার থেমে নেই।
সূত্রের খবর, প্রশাসনকে ‘ফাঁকি’ দিয়ে পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে পাচারের জন্য আনা হয় গোরু। সুযোগ বুঝে সেগুলি অন্য গোরুর সঙ্গে রাখা হয়। পরে গোরুগুলিকে আনা হয় স্থানীয় পশু হাটে। পাচারকারীদের কাছে এই গোরুগুলির সাংকেতিক নামও রয়েছে। পশুহাট থেকে কাগজ বানিয়ে গোরুগুলি পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। মোটর ভ্যানে চারটি-পাঁচটি করে গোরু চাপিয়ে অমনাবিকভাবে বেঁধেও নিয়ে যাওয়া হয়। আর এই পাচারের রুট হল, রামপুরহাটের জাতীয় সড়ক ধরে মাড়গ্রামের রাজ্য সড়ক ও গ্রামের রাস্তার ভিতর দিয়ে মুর্শিদাবাদ। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাচার। সূত্রের দাবি, পাচারে স্থানীয় অনেকেরই মদত রয়েছে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সড়কের সুরফুলা গ্রামের কাছে একটি গোরু বোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে মাড়গ্রাম থানার পুলিস। গবাদি পশু পরিবহণের কোনও বৈধ কাগজ দেখাতে না পারায় গাড়িতে থাকা ওয়াসিফ আলম ও সালাম শেখ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। দুজনেরই বাড়ি মুর্শিদাবাদের কান্দি গ্রামে। বাজেয়াপ্ত করা হয় ছ’টি গোরু। অন্যদিকে মাড়গ্রামের বিষ্ণুপুর গ্রামের কাছে আটটি গোরু সহ হাসিবুর রহমান নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি। গোরুগুলিকে হাঁটিয়ে মুর্শিদাবাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের জেরা করে কারবারের মুলপান্ডাদের কাছে পৌঁছতে চাইছে পুলিস। উল্লেখ্য, এর আগেও মাড়গ্রাম থানার পুলিস কয়োকজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হয় বেশ কিছু গোরু।
সূত্রের খবর, প্রশাসনকে ‘ফাঁকি’ দিয়ে পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে পাচারের জন্য আনা হয় গোরু। সুযোগ বুঝে সেগুলি অন্য গোরুর সঙ্গে রাখা হয়। পরে গোরুগুলিকে আনা হয় স্থানীয় পশু হাটে। পাচারকারীদের কাছে এই গোরুগুলির সাংকেতিক নামও রয়েছে। পশুহাট থেকে কাগজ বানিয়ে গোরুগুলি পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। মোটর ভ্যানে চারটি-পাঁচটি করে গোরু চাপিয়ে অমনাবিকভাবে বেঁধেও নিয়ে যাওয়া হয়। আর এই পাচারের রুট হল, রামপুরহাটের জাতীয় সড়ক ধরে মাড়গ্রামের রাজ্য সড়ক ও গ্রামের রাস্তার ভিতর দিয়ে মুর্শিদাবাদ। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাচার। সূত্রের দাবি, পাচারে স্থানীয় অনেকেরই মদত রয়েছে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সড়কের সুরফুলা গ্রামের কাছে একটি গোরু বোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে মাড়গ্রাম থানার পুলিস। গবাদি পশু পরিবহণের কোনও বৈধ কাগজ দেখাতে না পারায় গাড়িতে থাকা ওয়াসিফ আলম ও সালাম শেখ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। দুজনেরই বাড়ি মুর্শিদাবাদের কান্দি গ্রামে। বাজেয়াপ্ত করা হয় ছ’টি গোরু। অন্যদিকে মাড়গ্রামের বিষ্ণুপুর গ্রামের কাছে আটটি গোরু সহ হাসিবুর রহমান নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি। গোরুগুলিকে হাঁটিয়ে মুর্শিদাবাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের জেরা করে কারবারের মুলপান্ডাদের কাছে পৌঁছতে চাইছে পুলিস। উল্লেখ্য, এর আগেও মাড়গ্রাম থানার পুলিস কয়োকজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হয় বেশ কিছু গোরু।



