মুক্তির অপেক্ষায় প্রতীম ডি গুপ্তর ছবি ‘রান্নাবাটি’। এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শোলাঙ্কি রায়। এছাড়াও নতুন ধারাবাহিকও আসছে তাঁর। নতুন কাজ নিয়ে আড্ডায় অভিনেত্রী।
মুক্তির অপেক্ষায় প্রতীম ডি গুপ্তর ছবি ‘রান্নাবাটি’। এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শোলাঙ্কি রায়। এছাড়াও নতুন ধারাবাহিকও আসছে তাঁর। নতুন কাজ নিয়ে আড্ডায় অভিনেত্রী।
‘রান্নাবাটি’ কি শৈশবের নস্টালজিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল?
আমি যখন এই ছবির অফার পাই তখন ছবিটির নাম যে ‘রান্নাবাটি’, সেটা আমি জানতাম না। পরে যখন ছবির নাম জানলাম তখন সেই ছোটবেলায় রান্নাবাটি খেলার দিনগুলোর কথা কিন্তু মনে পড়েছিল। কমবেশি সকলেই হয়তো এই রান্নাবাটি খেলার স্মৃতি শৈশবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
আপনাকে ছবিতে কীভাবে দেখা যাবে?
এই ছবি বাবা মেয়ের সম্পর্কের গল্প বলবে। পাশাপাশি মা মেয়ের একটি সুন্দর বন্ডিংও দেখা যাবে। আমার চরিত্রের নাম সুপ্রিয়া। সে রান্না করতে খুব ভালোবাসে। রান্নাও যে একটি শিল্প, রান্নার খাতাতেও সুন্দরভাবে ক্যালিগ্রাফির মাধ্যমে রেসিপি ফুটিয়ে তোলা যায় এবং তা অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকতে পারে সেটা উঠে আসবে ছবির গল্পে। কারণ ভালো খাবার শুধু পেট ভরায় না, ভালো খাবার মনও ভরায়।
আপনি রান্নায় পারদর্শী?
আমি ভালোই রান্না করি। ভালো বাজারও করি। প্রতিদিনের রান্না করা হয় না। কিন্তু, প্রতিদিনের বাজার আমি নিজে করি। মাটন আমি খুব ভালো বানাই। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিও আমি খুব ভালো বানাতে পারি।
প্রতিদিনের বাজার করতে গিয়ে রাস্তায় তো অনেকেই চিনে ফেলেন?
এতে আমার অসুবিধার থেকে সুবিধাই বেশি হয়। কারণ অনেকেই জানেন যে, আমার শ্যুটিং থেকে ফিরতে দেরি হয়। সেজন্য দোকান বন্ধ হওয়ার মুখেও আমাকে জিনিসপত্র দিয়েছেন। একবার একটা মজার ঘটনা খুব মনে পড়ে। দোকানে গিয়েছি, একটি জামা খুব পছন্দ হয়েছে। কিন্তু, দোকানদার দেখছি খুব মন দিয়ে আমারই সিরিয়াল দেখছেন! তিনি একবার ঘুরেও দেখলেন না। কোনও পাত্তাই দিলেন না। বিষয়টা আমার মজার লেগেছিল।
রান্না একটি সাধারণ দক্ষতা, সকলের জানা উচিত বলে মনে করেন?
আমার মনে হয় ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলেরই সাধারণ রান্না শিখে নেওয়া উচিত। রান্না যে শুধু মেয়েরাই করবে এমন কিন্তু নয়। আমি অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেরটুকু তৈরি করে নিতে পারব, এটাই সবথেকে বড় কথা।
ফের ধারাবাহিকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলেন কেন?
আমার ট্র্যাক রেকর্ড দেখলে বুঝতে পারবেন, আমি ধারাবাহিক করেছি। আবার কিছুদিনের বিরতি নিয়েছি। ছবি করেছি, ওয়েব সিরিজ করেছি। আবার ধারাবাহিকে ফিরেছি। ধারাবাহিকের চরিত্র খুব বেশি আমার মনের মধ্যে গেঁথে গেলে সেটা বের করতে আমার কিছুটা সময় লাগে। তখনই আমি কিছুটা বিরতি নিয়ে আবার ফিরে আসি। সবথেকে বড় কথা ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে নিয়মিত রোজগারটাও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে ধারাবাহিকের নিয়মিত রোজগারের নিশ্চয়তা অস্বীকার করা যায় না। --- পূর্বাশা দাস