নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বাচনের প্রচারে এসে সরকারি অফিসে শূন্যপদ পূরণের পাশাপাশি শিল্পে বিনিয়োগ সুনিশ্চিত করে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে নয়া শিল্পনীতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিল রাজ্যের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার। পরবর্তী সময় জানানো হয়, ১৫ আগস্টের মধ্যে রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা করা হবে নবান্নের তরফে। তবে এখনও পর্যন্ত খবর, তা সম্ভব হচ্ছে না। তাহলে কবে শিল্পনীতি প্রকাশ করবে রাজ্য? শনিবার নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারের একটি অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, চলতি মাসের মধ্যেই আসবে শিল্পনীতি। কাজ চলছে জোরকদমে। তার পর ধাপে ধাপে জমিসহ অন্যান্য নীতি প্রকাশ করা হবে।
এদিন পশ্চিমবঙ্গ হায়ার অ্যান্ড স্টেট অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অর্থ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন এবং তাপসবাবু। শিল্প নীতিকে চূড়ান্ত রূপ দিতে শীঘ্রই নির্দিষ্ট কমিটির বৈঠক হবে বলে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। নয়া নীতিতে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ইনসেনটিভের বিষয়টিতে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আশপাশের রাজ্য এবং দেশের অধিকাংশ রাজ্যই এখন ইনসেনটিভ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছে। সেক্ষেত্রে আমাদের যা করা উচিত, তাই করা হবে। তবে বিষয়টি যেহেতু মন্ত্রিসভায় পাশ হবে, বেশি কিছু এখনই বলা সম্ভব নয়।’ শহরে আয়োজিত অন্য একটি অনুষ্ঠানে তাপসবাবু জানিয়েছেন, মঙ্গলবার নবান্নে জমি নীতি সংক্রান্ত জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সমস্ত অংশীদারদের যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসারদের অর্থমন্ত্রীর বার্তা, ‘আমাদের সরকারের থেকে মানুষের প্রচুর প্রত্যাশা। তা পূরণ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আগামী দিনে আপনাদের উপর কাজের চাপ একটু বাড়বে। আমি নিশ্চিত যে আপনারা রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে যাবতীয় পদক্ষেপ করবেন।’ রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতির ক্ষেত্রে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসারদের অবদানের কথা উল্লেখ করে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের কাজ উন্নয়ন প্রকল্পকে গতিশীল রাখা।’