অভিষেক পাল, বহরমপুর: মাদক, কাশির সিরাপ, মশলা ও ইঁদুরের বিষের পর এবার পাচারের আইটেমে জুড়েছে ফুচকাও। হ্যাঁ, এখন প্যাকেট করা ফুচকা পাচার হচ্ছে বাংলাদেশে। ওপার বাংলায় যতই ভারতীয় পণ্য বয়কটের জিগির উঠুক, এপারের পণ্যের চাহিদা যে বিন্দুমাত্র কমেনি তা বোঝা যাচ্ছে ফুচকা পাচারের খবর সামনে আসায়। অশান্ত বাংলাদেশের বাসিন্দারা চুটিয়ে উপভোগ করছে ভারতীয় ফুচকা। এপারের প্যাকেটবন্দি ফুচকা ওপারে গেলেই দ্বিগুণ দাম মিলছে। ফলে সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত হাতে হাতে ওপারে পৌঁছে যাচ্ছে ফুচকার প্যাকেট। একশ্রেণির গ্রামবাসীই ফুচকা পাচারে হাত লাগিয়েছে।
Advertisement
একেবারে রেডিমেড প্যাকেটবন্দি ফুচকা পাচার হচ্ছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন নামী দামি ব্র্যান্ডের ফুচকার ২০০ গ্রাম থেকে এক কেজির প্যাকেট এনে মজুত করা হচ্ছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে। মূলত জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে ফুচকা পাচার চলছে। গত একমাসে তিনবার ধরা পড়েছে হাজার হাজার ফুচকার প্যাকেট। গ্রামবাসীরা সাধারণ ভাবে বাজারে এলে দোকান থেকে রেডিমেড ফুচকার প্যাকেট কিনে নিয়ে বাড়িতে যায়। চেক পয়েন্টে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাড়িতে অতিথি আসার বাহানা দেয় তারা। তারপর সেই ফুচকার প্যাকেট বাড়িতে জমিয়ে রেখে সময় সুযোগ মতো ক্যারিয়ার মারফত ওপার বাংলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এপারে ১০০ গ্রাম ফুচকার প্যাকেটের দাম ৭০ টাকা, সেগুলি ওপারে ভারতীয় মুদ্রায় ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এক একটি প্যাকেট ওপারে পাঠাতে পারলেই দ্বিগুণ মুনাফা। তাই অনেক গ্রামবাসীই ফুচকা পাচারে নেমে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে ফুচকা কিনে নিয়ে বাড়িতে ঢুকছে প্রায় প্রতিটি পাড়ার বাসিন্দারা। বিএসএফ তল্লাশি চালিয়েও আটকাতে পারছে না তাদের। তবে বেশ কয়েকবার বিপুল পরিমাণে ফুচকার প্যাকেট বাংলাদেশ সীমান্ত পেরনোর আগে উদ্ধার করা হয়েছে।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, প্রথমবার উদ্ধার হওয়ার পরে আমরা ভেবেছিলাম কেউ হয়তো খাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরপর তিনবার উদ্ধার হওয়াতে খটকা লাগে। খোঁজ নিয়ে দেখি, এই ফুচকা বাংলাদেশে দ্বিগুণ নামে বিক্রি হয়। সাধারণভাবে সীমান্তের গ্রামে ভোগ্যপণ্য বা খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যাওয়া সহজ। সেইভাবেই গ্রামে ফুচকা ঢুকছে। তারপর তা হাত বদলে চলে যাচ্ছে ওপার বাংলায়।
জলঙ্গি সীমান্ত থেকে প্রায় ২০-২২ কিলোমিটার দূরের বাজারেও নিমেষে ফুচকার প্যাকেট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। বাজারে ফুচকার দোকানে ভিড় নেই, অথচ কাঁচা ফুচকা কেনার আগ্রহ বেশি। জলঙ্গি বাজারে এক মুদি দোকানি বলেন, আমরা আগে ফুচকার প্যাকেট রাখতাম না। আশেপাশে সবাই বিক্রি করছে দেখে, আমিও তুলেছি। গত এক মাসে প্রায় হাজার টাকার ফুচকা বিক্রি করেছি। তবে এসব কেউ পাচার করছে কিনা তা জানি না।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, প্রথমবার উদ্ধার হওয়ার পরে আমরা ভেবেছিলাম কেউ হয়তো খাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরপর তিনবার উদ্ধার হওয়াতে খটকা লাগে। খোঁজ নিয়ে দেখি, এই ফুচকা বাংলাদেশে দ্বিগুণ নামে বিক্রি হয়। সাধারণভাবে সীমান্তের গ্রামে ভোগ্যপণ্য বা খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যাওয়া সহজ। সেইভাবেই গ্রামে ফুচকা ঢুকছে। তারপর তা হাত বদলে চলে যাচ্ছে ওপার বাংলায়।
জলঙ্গি সীমান্ত থেকে প্রায় ২০-২২ কিলোমিটার দূরের বাজারেও নিমেষে ফুচকার প্যাকেট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। বাজারে ফুচকার দোকানে ভিড় নেই, অথচ কাঁচা ফুচকা কেনার আগ্রহ বেশি। জলঙ্গি বাজারে এক মুদি দোকানি বলেন, আমরা আগে ফুচকার প্যাকেট রাখতাম না। আশেপাশে সবাই বিক্রি করছে দেখে, আমিও তুলেছি। গত এক মাসে প্রায় হাজার টাকার ফুচকা বিক্রি করেছি। তবে এসব কেউ পাচার করছে কিনা তা জানি না।



