নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: পুজো দিতে যাওয়ার নাম করে বাঁকুড়ার বিহারীনাথ পাহাড়ের রিসর্টে এক কলেজ ছাত্রীকে মাদক খাইয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে শিল্পাঞ্চলে। হীরাপুর থানার প্রেমনগরের চার যুবকের বিরুদ্ধে আসানসোল মহিলা থানায় গণধর্ষণের অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতার মা। পুলিস অভিযুক্তদের হন্যে হয়ে খুঁজলেও এখনও তাদের নাগাল পায়নি। নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বাধা পেয়ে দুর্গাপুর ইএসআই হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্না বিক্ষোভ করেন বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই। এসিপি অফিসে বিক্ষোভ দেখান আরেক বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, চার অভিযুক্তই বিজেপি ঘনিষ্ঠ। মূল অভিযুক্ত বিজেপি মণ্ডল সম্পাদকের আত্মীয়।
Advertisement
ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, নির্যাতিতা মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক, তাদের খোঁজ চলছে।
আসানসোল গার্লস কলেজের ছাত্রীটির বাড়ি দুর্গাপুর হলেও তাঁর মামার বাড়ি হীরাপুর থানা এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাঁর সাথে পরিচয় হয় হীরাপুর থানার ইসমাইলের প্রেমনগরের বাসিন্দা অভিষেক বার্নওয়ালের। এরপরই তাঁরা বৃহস্পতিবার বিহারীনাথ ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। অভিষেক সঙ্গে নেয় তার তিন বন্ধু রোহিত রায়, চন্দন যাদব ও আকাশ বিন্দকে। মেয়েটি কলেজ যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তাঁর সঙ্গে তাঁর দুই মামাতো বোন ও বোনেদের এক বান্ধবী চারজন মিলে অভিষেকদের চারজনের সঙ্গে একটি মারুতি ওমনি গাড়ি করে বিহারীনাথ যায়। একটি রির্সটে তাঁরা ওঠেন। এরপরই সেখানে কলেজ ছাত্রীকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মেয়েটিকে প্রথমে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পরে দুর্গাপুর ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আকাশ বিন্দের মা সাবিত্রী বিন্দ বলেন, বিহারিনাথে পুজো দেওয়ার নাম করে চার বন্ধু মিলে বৃহস্পতিবার গিয়েছিল। সেদিন রাতেই বাড়ি ফিরে আসে। শুক্রবার সকালে ফের চার বন্ধু বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত অভিষেক বার্নওয়ালের বাবার হার্ডওয়ারের দোকান রয়েছে। প্রতিবেশী বিরো দেবীর দাবি, পুলিস এসে তার বাবা, মাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এদিন সকালেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যান বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই ও তাঁর সঙ্গীরা। হাসপাতাল কর্মীরা বাধা দিলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয় তাঁদের। এরপরই হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্নায় বসে পড়ে বিজেপি। লক্ষ্মণবাবুর অভিযোগ, পুলিস বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাইছে। তৃণমূল জেলা সভাপতি বলেন, পুলিস প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। হাসপাতালে রাজনৈতিক আন্দোলন করার জন্য পুলিসের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল এদিন বিকালে এসিপি অফিস অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এতে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে স্থানীয় বরো চেয়ারম্যান দেবাশিস দাস, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, মূল অভিযুক্তর পিসেমশাই বিজেপি মণ্ডল সম্পাদক নীরজ বার্নওয়াল। তিনিই প্রথমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। চারজন অভিযুক্তই বিজেপি জেলা সম্পাদিকা কাকলি ঘোষের ঘনিষ্ঠ। কাকলি বলেন, তাঁরা একটি মন্দির প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছিল ঠিকই। দলের সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। নীরজ বার্নওয়াল বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
আসানসোল গার্লস কলেজের ছাত্রীটির বাড়ি দুর্গাপুর হলেও তাঁর মামার বাড়ি হীরাপুর থানা এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাঁর সাথে পরিচয় হয় হীরাপুর থানার ইসমাইলের প্রেমনগরের বাসিন্দা অভিষেক বার্নওয়ালের। এরপরই তাঁরা বৃহস্পতিবার বিহারীনাথ ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। অভিষেক সঙ্গে নেয় তার তিন বন্ধু রোহিত রায়, চন্দন যাদব ও আকাশ বিন্দকে। মেয়েটি কলেজ যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তাঁর সঙ্গে তাঁর দুই মামাতো বোন ও বোনেদের এক বান্ধবী চারজন মিলে অভিষেকদের চারজনের সঙ্গে একটি মারুতি ওমনি গাড়ি করে বিহারীনাথ যায়। একটি রির্সটে তাঁরা ওঠেন। এরপরই সেখানে কলেজ ছাত্রীকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মেয়েটিকে প্রথমে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পরে দুর্গাপুর ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আকাশ বিন্দের মা সাবিত্রী বিন্দ বলেন, বিহারিনাথে পুজো দেওয়ার নাম করে চার বন্ধু মিলে বৃহস্পতিবার গিয়েছিল। সেদিন রাতেই বাড়ি ফিরে আসে। শুক্রবার সকালে ফের চার বন্ধু বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত অভিষেক বার্নওয়ালের বাবার হার্ডওয়ারের দোকান রয়েছে। প্রতিবেশী বিরো দেবীর দাবি, পুলিস এসে তার বাবা, মাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এদিন সকালেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যান বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই ও তাঁর সঙ্গীরা। হাসপাতাল কর্মীরা বাধা দিলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয় তাঁদের। এরপরই হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্নায় বসে পড়ে বিজেপি। লক্ষ্মণবাবুর অভিযোগ, পুলিস বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাইছে। তৃণমূল জেলা সভাপতি বলেন, পুলিস প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। হাসপাতালে রাজনৈতিক আন্দোলন করার জন্য পুলিসের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল এদিন বিকালে এসিপি অফিস অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এতে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে স্থানীয় বরো চেয়ারম্যান দেবাশিস দাস, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, মূল অভিযুক্তর পিসেমশাই বিজেপি মণ্ডল সম্পাদক নীরজ বার্নওয়াল। তিনিই প্রথমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। চারজন অভিযুক্তই বিজেপি জেলা সম্পাদিকা কাকলি ঘোষের ঘনিষ্ঠ। কাকলি বলেন, তাঁরা একটি মন্দির প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছিল ঠিকই। দলের সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। নীরজ বার্নওয়াল বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।



