Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি, ধৃত

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি, ধৃত
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, তেহট্ট: ‘মাধ্যমিক দিতে গেলে তুলে নিয়ে যাব’-পলাশীপাড়ায় অঙ্ক পরীক্ষার আগের রাতে নাবালিকার বাড়ি এসে এমন হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়েছে। ওই পরীক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিস যুবককে গ্রেপ্তার করে। সেই সঙ্গে মেয়েটিকে নিজেদের গাড়িতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছে পুলিস। ধৃত যুবকের নাম মঙ্গল দাস। বাড়ি পলাশীপাড়ার অভয়নগরে। তার বিরুদ্ধে নাবালিকাকে অপহরণের চেষ্টা ও পরীক্ষা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তেহট্টের মহকুমা পুলিস আধিকারিক শুভতোষ সরকার বলেন, এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, কয়েকমাস আগেই ওই যুবক মেয়েটিকে অপহরণ করেছিল। সেই সময় মেয়েটির পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পেয়ে পুলিস ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। সেই সময় থেকে মঙ্গল পুলিসের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। শুক্রবার রাতেই সে এলাকায় ফেরে। আর ফিরেই ওই ছাত্রীর বাড়ি গিয়ে তাকে অপহরণের হুমকি দেয়। এতে মেয়েটি ভয় পেয়ে যায়। তার মা থানায় অভিযোগ করলে পুলিস মঙ্গলকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ওই ছাত্রীকে পরীক্ষার ২০মিনিট আগে সেন্টারে পৌঁছে দেয়।
ওই নাবালিকার মা বলেন, কয়েকমাস আগে একদিন আমার মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। সেসময় ওই ছেলেটা ভয় দেখিয়ে মেয়েকে অপহরণ করে। মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে, জানতে পেরেই আমরা থানায় অভিযোগ জানাই। তখন পুলিস তদন্ত করে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। ওই ছেলেটা সেই সময় থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। শুক্রবার রাতে ফিরেই আবার মেয়েকে হুমকি দিতে শুরু করে। প্রথমে আমরা তেমন গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু শনিবার সকাল পর্যন্ত সে অনবরত হুমকি দেয়। সে জানিয়ে দেয়, শনিবার আমার মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না। তার আগেই তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাবে। তখন আমরা বাধ্য হয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হই। পরীক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগ, মঙ্গল বারবার তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়ায় তাঁর মেয়ে ভয় পেয়ে যায়। ফলে পরীক্ষার আগের রাতে সে ঠিকমতো অঙ্ক অনুশীলন করতে পারেনি। তবে তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি পুলিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিস সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওই ছেলেটাকে গ্রেপ্তার করেছে। সেইসঙ্গে পুলিস আমার মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্র পর্যন্ত দিয়ে আসায় ওর মনের ভয় কিছুটা হলেও দূর হয়েছে। আজ পুলিসের জন্যই আমার মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ