নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আর বিক্ষিপ্ত আন্দোলন নয়। কেন্দ্রের মোদি সরকারকে ‘সবক’ শেখাতে একযোগে পথে নামার ডাক দিল কৃষক সংগঠনগুলি। শুক্রবার খানাউরি সীমানায় গিয়েছেন সংযুক্ত কিষান মোর্চার ছ’জন প্রতিনিধি। শম্ভু ও খানাউরি সীমানায় আন্দোলনরত কৃষকদের প্রতি তাঁদের বার্তা, বিক্ষিপ্তভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করলে তা মোদি সরকারে কানে পৌঁছবে না। সরকারের ঘুম ভাঙাতে একজোট হয়ে আন্দোলন জরুরি।এরই পাশাপাশি এদিন খানাউরি সীমানায় অনশনরত কৃষক নেতা জগজিৎ সিং দাল্লেওয়ালের সঙ্গেও দেখা করেছেন সংযুক্ত কিষান মোর্চার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তাঁকে চিকিৎসা করানোর আর্জিও জানানো হয়েছে।
Advertisement
পাঞ্জাব ও হরিয়ানার দু’টি সীমানায় গত প্রায় এক বছর ধরে চলা অবস্থান বিক্ষোভে সংযুক্ত কিষান মোর্চা সরাসরি যুক্ত নেই। সেখানকার আন্দোলনের নেতৃত্বে মূলত পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা ভিত্তিক দু’টি কৃষক সংগঠন। এদিন সেই দু’টি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন সংযুক্ত কিষান মোর্চার প্রতিনিধিরা। আগামী ১৫ জানুয়ারি পাতিয়ালায় কিষান মহাপঞ্চায়েত রয়েছে। সেখানে ওই দু’টি সংগঠনকেও যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বৃহস্পতিবারই শম্ভুতে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন এক আন্দোলনকারী কৃষক। তার ঠিক তিন সপ্তাহ আগেও সেখানে আরও এক কৃষক আত্মহত্যা করেছিলেন। এদিকে, গত ২৬ নভেম্বর থেকে পাঞ্জাব, হরিয়ানার আর এক সীমানা এলাকা খানাউরিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন প্রবীণ কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়াল। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল উঠছে মোদি সরকারের চরম ‘উদাসীনতা’র দিকে। এদিন হুঁশিয়ারির সুরে রাকেশ টিকায়েত জানিয়েছেন, এই কৃষক আন্দোলন এখন শুধুই পাঞ্জাবে সীমাবদ্ধ। যতক্ষণ পর্যন্ত এই আন্দোলন বাইরে না হচ্ছে, কিছুই হবে না। যেখানে যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেখানে সেখানে অবরোধ অবস্থান করতে হবে। নাহলে এই বধির সরকার কিছুই শুনবে না।
বৃহস্পতিবারই শম্ভুতে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন এক আন্দোলনকারী কৃষক। তার ঠিক তিন সপ্তাহ আগেও সেখানে আরও এক কৃষক আত্মহত্যা করেছিলেন। এদিকে, গত ২৬ নভেম্বর থেকে পাঞ্জাব, হরিয়ানার আর এক সীমানা এলাকা খানাউরিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন প্রবীণ কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়াল। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল উঠছে মোদি সরকারের চরম ‘উদাসীনতা’র দিকে। এদিন হুঁশিয়ারির সুরে রাকেশ টিকায়েত জানিয়েছেন, এই কৃষক আন্দোলন এখন শুধুই পাঞ্জাবে সীমাবদ্ধ। যতক্ষণ পর্যন্ত এই আন্দোলন বাইরে না হচ্ছে, কিছুই হবে না। যেখানে যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেখানে সেখানে অবরোধ অবস্থান করতে হবে। নাহলে এই বধির সরকার কিছুই শুনবে না।



