নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহু গ্রাহকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বলছে, কথা বলতে বলতেই বারবার মোবাইল ফোন কল কেটে যায়। কথা চালিয়ে যেতে হলে ফের নতুন করেই ফোন করতে হয় গ্রাহককে। কাউকে ফোন করার পরও সহজে সংযোগ পাওয়া যায় না, এমন অভিজ্ঞতাও কম নয় তাঁদের। বাড়িতে হোক বা বাড়ির বাইরে— কথা বলার বিষয়ে মোবাইল সংস্থাগুলির পরিষেবায় তিতিবিরক্ত অনেকেই। তবু টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা আবারও দাবি করল, মোটের উপর সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে! তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, কলকাতা হোক বা জেলা, মোবাইল সংস্থাগুলির পরিষেবায় তেমন ত্রুটি নেই। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ট্রাই দাবি করেছে, মোবাইল পরিষেবায় তেমন কোনও ঘাটতি নেই।
Advertisement
এরাজ্যের টেলিকমের দুটি সার্কেল—কলকাতা ও শহরতলির জন্য কলকাতা সার্কেল এবং রাজ্যের বাদবাকি অংশের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কেল। এই দুটিতে টেলিকম সংস্থাগুলি কেমন পরিষেবা দিল, তার উপর রিপোর্ট পেশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই)। চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৪) তাদের মোবাইল পরিষেবা বিষয়ক সমীক্ষায় প্রকাশ, পরীক্ষায় সব টেলিকম সংস্থাই উত্তীর্ণ।
কথা বলার সময় বারবার ফোন কেটে যাওয়াকে বলা হয় ‘কল ড্রপ’। সামান্য কল ড্রপ হওয়া ‘স্বাভাবিক’ ঘটনা, কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে তাকে মোবাইল সংস্থার পরিষেবায় ‘গাফিলতি’ হিসেবেই ধরা হয়। এক্ষেত্রে কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ১০০টি ফোন কলের মধ্যে দুটি কেটে গেলে তা ‘স্বাভাবিক’ হিসেবেই ধরা হয়। অর্থাৎ স্বাভাবিক কল ড্রপের হার এক্ষেত্রে ২ শতাংশ। সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে, এরাজ্যে কল ড্রপে কোনও সমস্যা নেই। পাশাপাশি কনজেশন বা কল অপর প্রান্তে না ঢোকা, কথা বলায় অস্পষ্টতা প্রভৃতি সমস্যাও এখানে তেমন নেই। এমনকী মোবাইলের বিলিং সংক্রান্ত সমস্যার অভিযোগও তারা খারিজ করেছে।
তাহলে সঙ্কট কোথায়? পরিষেবায় সন্তুষ্ট না-হলে বা অন্যকোনও কারণে কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেন গ্রাহকরা। সেক্ষেত্রেও কি ঠিকঠাক পরিষেবা পাওয়া যায়? বহু গ্রাহকেরই অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে ভালো নয়, তবু তা মানতে নারাজ ট্রাই। গ্রাহক ফোন করার পর, ৯০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ে অপারেটরের তরফে ফোন ধরার বিষয়ে সমীক্ষা করেছে ট্রাই। তারা বলছে, কোনও একটি সময়ের ভিতরে ১০০টি কলের মধ্যে ৯৫টি বা তার বেশি ফোন অপারেটর অ্যাটেন্ড করলে সেটিকে ‘স্বাভাবিক’ পরিষেবা বলেই গণ্য করা হয়। এয়ারটেলের কলকাতা সার্কেলে ওই হার ৮৮.৩৭ শতাংশ এবং বেঙ্গল সার্কেলে ৮৬.৪৪ শতাংশ। বিএসএনএলের বেঙ্গল সার্কেলের ক্ষেত্রে ওই হার একেবারেই তলানিতে—২৮.০৮ শতাংশ মাত্র!
কথা বলার সময় বারবার ফোন কেটে যাওয়াকে বলা হয় ‘কল ড্রপ’। সামান্য কল ড্রপ হওয়া ‘স্বাভাবিক’ ঘটনা, কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে তাকে মোবাইল সংস্থার পরিষেবায় ‘গাফিলতি’ হিসেবেই ধরা হয়। এক্ষেত্রে কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ১০০টি ফোন কলের মধ্যে দুটি কেটে গেলে তা ‘স্বাভাবিক’ হিসেবেই ধরা হয়। অর্থাৎ স্বাভাবিক কল ড্রপের হার এক্ষেত্রে ২ শতাংশ। সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে, এরাজ্যে কল ড্রপে কোনও সমস্যা নেই। পাশাপাশি কনজেশন বা কল অপর প্রান্তে না ঢোকা, কথা বলায় অস্পষ্টতা প্রভৃতি সমস্যাও এখানে তেমন নেই। এমনকী মোবাইলের বিলিং সংক্রান্ত সমস্যার অভিযোগও তারা খারিজ করেছে।
তাহলে সঙ্কট কোথায়? পরিষেবায় সন্তুষ্ট না-হলে বা অন্যকোনও কারণে কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেন গ্রাহকরা। সেক্ষেত্রেও কি ঠিকঠাক পরিষেবা পাওয়া যায়? বহু গ্রাহকেরই অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে ভালো নয়, তবু তা মানতে নারাজ ট্রাই। গ্রাহক ফোন করার পর, ৯০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ে অপারেটরের তরফে ফোন ধরার বিষয়ে সমীক্ষা করেছে ট্রাই। তারা বলছে, কোনও একটি সময়ের ভিতরে ১০০টি কলের মধ্যে ৯৫টি বা তার বেশি ফোন অপারেটর অ্যাটেন্ড করলে সেটিকে ‘স্বাভাবিক’ পরিষেবা বলেই গণ্য করা হয়। এয়ারটেলের কলকাতা সার্কেলে ওই হার ৮৮.৩৭ শতাংশ এবং বেঙ্গল সার্কেলে ৮৬.৪৪ শতাংশ। বিএসএনএলের বেঙ্গল সার্কেলের ক্ষেত্রে ওই হার একেবারেই তলানিতে—২৮.০৮ শতাংশ মাত্র!



