নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন পেরনোর খেসারত। ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক মহিলা আইনজীবীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বারাসত স্টেশন সংলগ্ন ১২ নম্বর রেলগেটে। মৃতার নাম বন্দনা মাইতি (৩৭)। তাঁর বাড়ি দমদমে। ঘটনায় শোকের ছায়া আইনজীবী মহলে।
Advertisement
বন্দনা মাইতি কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের আইনজীবী সদস্য ছিলেন। মাঝেমধ্যে বারাসত ডিস্ট্রিক্ট কোর্টেও মামলা করতে আসতে হতো তাঁকে। বৃহস্পতিবার বন্দনাদেবী দমদমের বাড়ি থেকেই বারাসত আদালতে আসেন। কনজিউমার ফোরাম কোর্ট থেকে মামলার শেষে ১২ নম্বর রেলগেটের লাইন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসছিলেন তিনি। রেলগেটে সাবওয়ে রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে ফ্লাইওভারও। এর কোনটাও ব্যবহার না করেই রেললাইন পার হতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনলেন। জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেললাইন পার হওয়ার সময় ওই আইনজীবী ফোনে কথা বলছিলেন। সেই সময় আপ শিয়ালদহ-বনগাঁ ট্রেন আসছিল। চালক অনেকবার হর্ন দিয়েছিলেন। কিন্তু আইনজীবী ফোনে কথা বলার জন্য ট্রেনের হর্ন শুনতে পাননি। তবে, তাঁর কানে অবশ্য হেডফোন ছিল না। কথাতে এমন মগ্ন ছিলেন তারই খেসারত দিতে হল। ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। জিআরপি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
এই বিষয়ে বারাসত ডিস্ট্রিক্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অলোক সমাজপতি জানিয়েছেন, বন্দনা আমাদের বোনের মতো। প্রায়ই তাঁকে মামলার জন্য বারাসত আদালতে আসতে হতো। কনজিউমার ফোরাম কোর্টটি আদালতের মূল ভবন থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছে। সাবওয়ে অবশ্য রয়েছে, কিন্তু সেটা যাতায়াতের উপযুক্ত নয়। সহজে আসতে গিয়েই এই পরিণতি হল। ঘটনা প্রসঙ্গে আইনজীবী সুশোভন মিত্র বলেন, বাড়িতে ওঁর ছোট সন্তান রয়েছে। ফোনে কথা বলতে বলতে রেলের লাইন পার করছিলেন, আর তার জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা। শনিবার বারাসত আদালতে মৃত আইনজীবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্মরণসভারও আয়োজন করা হবে। ওই দিনটিতে ব্যাঙ্কশাল আদালতেও কোনওরকম সওয়াল জবাবে অংশ নেবেন না আইনজীবীরা।
এই বিষয়ে বারাসত ডিস্ট্রিক্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অলোক সমাজপতি জানিয়েছেন, বন্দনা আমাদের বোনের মতো। প্রায়ই তাঁকে মামলার জন্য বারাসত আদালতে আসতে হতো। কনজিউমার ফোরাম কোর্টটি আদালতের মূল ভবন থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছে। সাবওয়ে অবশ্য রয়েছে, কিন্তু সেটা যাতায়াতের উপযুক্ত নয়। সহজে আসতে গিয়েই এই পরিণতি হল। ঘটনা প্রসঙ্গে আইনজীবী সুশোভন মিত্র বলেন, বাড়িতে ওঁর ছোট সন্তান রয়েছে। ফোনে কথা বলতে বলতে রেলের লাইন পার করছিলেন, আর তার জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা। শনিবার বারাসত আদালতে মৃত আইনজীবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্মরণসভারও আয়োজন করা হবে। ওই দিনটিতে ব্যাঙ্কশাল আদালতেও কোনওরকম সওয়াল জবাবে অংশ নেবেন না আইনজীবীরা।



